নিচের কোনটি কম্পিউটার মেমোরি হিসেবে দ্রুততম?
রেজিস্টার একটি কম্পিউটার মেমোরি যেটি ক্ষুদ্রতম সময়ে কোন তথ্য ও উপাত্ত গ্রহণ, ধারণ এবং প্রেরণে সক্ষম।
- অন্যদিকে, Cache memory এর কাজ হলো বারবার ব্যবহৃত মেমোরিকে হার্ড ড্রাইভে না রেখে র্যামে এনে রাখা।
- সফটওয়্যারের মাধ্যমে দ্রুততম এক্সেস করা যায় ক্যাশ মেমোরিতে।
- অন্যদিকে, রেজিস্টার হার্ডওয়্যারে এক্সেস টাইম প্রায় ন্যানোসেকেন্ড লেভেলে।মেমোরি ডিজাইন হায়ারার্কি
- স্টোরেজ হায়ারার্কি বা মেমোরির ধারণক্ষমতার ক্রম Storage Hierarchics কম্পিউটারে বিভিন্ন রকমের মেমোরি ব্যবহার করা হয়।
- বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন প্রযুক্তির মেমোরি ব্যবহার করা হলেও মেমোরি তৈরির সময় তিনটি বিষয় লক্ষ রাখা হয়।
- অ্যাকসেস টাইম: মেমোরি হতে ডেটার রিড বা রাইট অপারেশনে যে সময় লাগে তাকে অ্যাকসেস টাইম বলে।
- প্রধান মেমোরির টাইম (সময়) বলতে বোঝায় মেমোরির নির্দিষ্ট অ্যাড্রেসে অ্যাকসেস করা এবং তা থেকে একটি শব্দ পড়া বা লেখার মোট সময়।
- অ্যাকসেস সময় যত কম হয়, কম্পিউটার তত দ্রুতগতিতে কাজ করে।
- গতিই মেমোরি ডিজাইনের প্রধান নিয়ামক।
- মেমোরি ডিজাইন পিরামিডের শীর্ষে অবস্থান করা রেজিস্টারের ধারণক্ষমতা কম হলেও এর গতি যেমন সবচেয়ে বেশি, খরচও তেমনি সবচেয়ে বেশি।
Related Questions
MS Windows একটি মাল্টিটাস্কিং অপারেটিং সিস্টেম যা একই সময়ে একাধিক প্রোগ্রাম চালানোর অনুমতি দেয়।
- প্রতিটি প্রোগ্রামের নিজস্ব উইন্ডো থাকে যা ব্যবহারকারীকে একই সাথে বিভিন্ন প্রোগ্রামের মধ্যে সহজেই স্যুইচ করতে দেয়।
- যাইহোক, MS Windows একটি ক্লোজড-সোর্স অপারেটিং সিস্টেম, যার অর্থ হল এর সোর্স কোড জনসাধারণের জন্য উপলব্ধ নয়।
- এর বিপরীতে, লিনাক্স একটি ওপেন-সোর্স অপারেটিং সিস্টেম যার সোর্স কোড যে কেউ পরিবর্তন এবং পুনরায় বিতরণ করতে পারে।
এসিডের সাথে ধাতব কার্বনেটের বিক্রিয়ায় লবণ, পানি ও কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্যাস উৎপন্ন হয়। যেমন: সোডিয়াম কার্বনেট (Na2CO3) লঘু নাইট্রিক এসিড (HNO3) এর সাথে বিক্রিয়া করে সোডিয়াম নাইট্রেট (NaNO3) লবণ, পানি (H2O) ও কার্বন ডাইঅক্সাইড (CO2) গ্যাস উৎপন্ন করে।
বিক্রিয়া: Na2CO3 + 2HNO3→2NaNO3+H2O+CO2
কোনো জীবের বৈজ্ঞানিক নাম দেওয়া সংক্রান্ত নীতিমালা তৈরি, ব্যাখ্যা ও প্রয়োগকে জীবের বৈজ্ঞানিক নামকরণ বলা হয়।
- দ্বিপদ নামকরণ: কোনো জীবের গণ (Genus) নামের শেষে একটি প্রজাতিক (Species) পদ যুক্ত করে দু'টি পদের (শব্দের) মাধ্যমে ICN বা ICZN এর নীতিমালা অনুসারে একটি নির্দিষ্ট প্রজাতির জন্যে একটি নির্দিষ্ট বৈজ্ঞানিক নাম প্রদান করাকে বলা হয় দ্বিপদ নামকরণ।
- সুইডিশ বিজ্ঞানী ক্যারোলাস লিনিয়াস ১৭৫৩ সালে সর্বপ্রথম Plantarum বইতে বর্ণিত সকল উদ্ভিদ প্রজাতির জন্যে দ্বিপদ নাম প্রদান করেন।
- ১৯০০ সালে ম্যাক্স প্লাঙ্ক সর্বপ্রথম কোয়ান্টাম-তত্ত্ব প্রদান করেন।
- এই তত্ত্ব অনুসারে আলোকশক্তি কোনো উৎস থেকে অবিচ্ছিন্ন তরঙ্গের আকারে না বেরিয়ে অসংখ্য ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র শক্তিগুচ্ছ বা প্যাকেট আকারে বের হয়।
- প্রত্যেক রঙের আলোর জন্য এই প্যাকেটের শক্তির একটা সর্বনিম্ন মান আছে।
- এ সর্ব নিম্নমানের শক্তিসম্পন্ন কণিকাকে কোয়ান্টাম (Quantum) বা ফোটন (Photon) বলে।
E = ফোটনের শক্তি,
f = আলোর কম্পাঙ্ক,
A = তরঙ্গদৈর্ঘ্য,
হলে,
E = hf = hc / λ [f = c/λ h = প্ল্যাঙ্কের ধ্রুবক]
ভিটামিন কে এর প্রভাবে রক্ত তঞ্চন প্রক্রিয়ায় দেহের ক্ষতস্থানের রক্ত জমাট বাঁধে ও দেহ থেকে অবাঞ্ছিত রক্তপাত বন্ধ হয়। ভিটামিন সি এর অভাবে স্কার্ভি, ভিটামিন বি এর অভাবে বেরিবেরি এবং ভিটামিন ডি এর অভাবে রিকেটস রোগ হয়।
আলোর প্রাথমিক রং তিনটি। যথাঃ লাল, নীল ও সবুজ।
জব সলুশন