নাম রেখেছি কোমল গান্ধার" কাব্যের রচয়িতা
"নাম রেখেছি কোমল গান্ধার" কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা হলেন বিষ্ণু দে। তিনি ছিলেন একজন প্রখ্যাত আধুনিক বাংলা কবি, যিনি তাঁর তীক্ষ্ণ বুদ্ধিমত্তা, রাজনৈতিক চেতনা এবং শিল্প-সংস্কৃতি বিষয়ক গভীর অনুধ্যানের জন্য পরিচিত। এই কাব্যগ্রন্থটি তাঁর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কাজ।
অপশন ক) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের একজন অন্যতম শ্রেষ্ঠ প্রতিভা। তাঁর অসংখ্য বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ রয়েছে, যেমন "গীতাঞ্জলি", "সোনার তরী", "চিত্রা" ইত্যাদি।
অপশন গ) অমিয় চক্রবর্তী: অমিয় চক্রবর্তীও একজন আধুনিক বাংলা কবি এবং বুদ্ধিজীবী ছিলেন। তাঁর "অরুপ নয়ন", "মাটির ডাক" ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ।
অপশন ঘ) প্রেমেন্দ্র মিত্র: প্রেমেন্দ্র মিত্র ছিলেন একজন বিশিষ্ট ঔপন্যাসিক, ছোটগল্পকার এবং কবি। তাঁর "ফেরীওয়ালা", "কালস্রোত" ইত্যাদি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ।
Related Questions
"তৈল" প্রবন্ধটি লিখেছেন প্রখ্যাত পণ্ডিত ও সাহিত্যিক হরপ্রসাদ শাস্ত্রী। তিনি বাংলা সাহিত্যের একজন গুরুত্বপূর্ণ গবেষক এবং ঐতিহাসিক ছিলেন, যিনি প্রাচীন পুথি আবিষ্কার ও সম্পাদনার জন্য বিখ্যাত।
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের "রক্তকরবী" নাটকে রঞ্জন একটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র। সে এই নাটকের মূল চরিত্রগুলির একজন, যার সাথে নন্দিনী এবং অন্যান্য চরিত্রদের সম্পর্ক রয়েছে।
অপশন ক) বিসর্জন: "বিসর্জন" নাটকের মূল চরিত্র অপর্ণা, গোবিন্দ মানিক্য, রঘুপতি ইত্যাদি। রঞ্জন এই নাটকের কোনো চরিত্র নয়।
অপশন গ) মুক্তধারা: "মুক্তধারা" নাটকের প্রধান চরিত্র হলেন উৎপল, সুকুমারেরা। রঞ্জন এখানে কোনো পরিচিত চরিত্র নয়।
অপশন ঘ) ডাকঘর: "ডাকঘর" নাটকের মূল চরিত্র অমল। রঞ্জন এই নাটকের কোনো চরিত্র নয়।
দীনবন্ধু মিত্রের নীলদর্পণ নাটকটি প্রথমে মুদ্রিত হয় ১৮৬০ সালে। এর ইংরেজি অনুবাদ করেন মাইকেল মধুসূদন দত্ত , তবে এই অনুবাদটি প্রকাশের সময়ে রেভারেন্ড জেমস লং এর সহযোগিতা ছিল এবং তিনি ভূমিকা লিখেছিলেন।
জব সলুশন