বিশেষণের সাথে বিশেষ্যের যে সমাস হয় তার নাম কি?
বিশেষণের সাথে বিশেষ্যের যে সমাস হয়, তাকে কর্মধারয় সমাস বলে। নীল যে পদ্ম = নীলপদ্ম
Related Questions
"আমি কি ডরাই সখি ভিখারি রাঘবে"—এই বাক্যের 'রাঘবে' শব্দটি হলো অপাদান কারকে সপ্তমী বিভক্তি。 ব্যাকরণিক কারণ: যার কাছ থেকে কোনো কিছু ভীত, রক্ষিত, বিরত বা উৎপন্ন হয়, তাকে অপাদান কারক বলে。 যেহেতু এখানে 'ভিখারি রাঘব' (শ্রী রাম)-এর প্রতি ভয়ের কথা বোঝানো হয়েছে, তাই 'রাঘবে' অপাদান কারক। এর সাথে 'এ' বিভক্তি যুক্ত থাকায় এটি সপ্তমী বিভক্তি。
"গুণহীনে" ত্যাগ কর বাক্যে 'গুণহীনে' শব্দটি কর্মে ৭মী (সপ্তমী) বিভক্তি। যেহেতু যাকে ত্যাগ করা হচ্ছে, তা নির্দেশ করতে শব্দটিতে 'এ' বিভক্তি যুক্ত হয়েছে, তাই ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী এটি কর্ম কারকে সপ্তমী বিভক্তি।
সঠিক শুদ্ধ বানান হলো ভাগীরথী। এই শব্দে গ-এর সঙ্গে দীর্ঘ ঈ-কার এবং থ-এর সঙ্গেও দীর্ঘ ঈ-কার যুক্ত হয়।
দধীচি (দন্ত্য-ধ-দীর্ঘীকার-চ-হ্রস্বীকার) হলো শুদ্ধ বানান। পুরাণোক্ত এই মুনি বা মহাপুরুষের নামের শেষে দীর্ঘ ই-কার (ঈ) এবং প্রথমে হ্রস্ব ই-কার (ই) ব্যবহৃত হয়
বাংলা সাহিত্তের সব্যসাচি লেখক হিসেবে খ্যাত সৈয়দ শামসুল হক ১৯৩৫ সালের ২৭ ডিসেম্বের কুড়িগ্রামে জন্মগ্রহন করেন।তার উপন্যাস হল-এক মহিলার ছবি (১৯৫৯),অনুপম দিন (১৯৬২),নিল দংশন (১৯৮১),মেঘ ও মেশিন (১৯৯১),আলোর জন্য ,এক মুঠো জন্মভূমি ইত্যাদি অন্যতম।
'ছায়াহরিণ' (বা ছায়া হরিণ) বিখ্যাত বাংলাদেশি কবি ও সাহিত্যিক আহসান হাবীবের লেখা একটি জনপ্রিয় কাব্যগ্রন্থ। এটি ১৯৬২ সালে প্রকাশিত হয়,১৯৮৫ সালের ১০ জুলাই আহসান হাবীব মৃত্যুবরণ করেন। কাব্যগ্রন্থঃ রাত্রিশেষ (১৯৪৭), ছায়াহরিণ (১৯৬২), সারা দুপুর (১৯৬৪), আশায় বসতি (১৯৭৪)
উপন্যাসঃ রাণী খালের সাঁকো (১৯৬৫), আরণ্য নীলিমা (১৯৬২)
শিশু সাহিত্যঃ জোছনা রাতের গল্প, ছুটির দিন দুপুরে, বিষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর
জব সলুশন