হাইফেন কোথায় বসে?

ক) দুই বাক্যের সংযোগ দেখাতে।
খ) দুই শব্দের সংযোগ দেখাতে।
গ) বাক্যে উদ্ধৃতি প্রয়োগ করতে।
ঘ) উক্তি বা প্রত্যুক্তি বোঝাতে।
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:

দুই শব্দের সংযোগ দেখাতে হাইফেন বসে।

সমাসবদ্ধ পদের অংশগুলো বিচ্ছিন্ন করে দেখাবার জন্য হাইফেনের ব্যবহার করা হয়। দুই শব্দের সংযোগ বোঝাতে হাইফেন ব্যবহৃত হয়। বাক্যের মধ্যকার একাধিক পদকে সংযুক্ত করতে হাইফেন ব্যবহৃত হয়। তবে হাইফেন থাকলে থামার প্রয়োজন হয় না। যেমন:
» এ আমাদের শ্রদ্ধা- অভিনন্দন,
» আমাদের প্রীতি-উপহার।
» মা-বাবার কাছে সন্তানের গৌরব সবচেয়ে বড়ো গৌরব।

Related Questions

ক) অযথা তর্ক করা
খ) অযথা রাগারাগি করা
গ) অযথা তোষামোদ
ঘ) অযথা আলসেমি করা
Note :

‘আমড়াগাছি করা’ বাগ্‌ধারার অর্থ: অযথা তোষামোদ/অযথা প্রশংসা করা।

আরও কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বাগধারা:
- আদা জল খেয়ে লাগা: প্রাণপণ চেষ্টা করা।
- অন্তর টিপুনি: গোপন ইশারা।
- আমি-আমি করা: আত্মপ্রশংসা করা।
- মাথা খাওয়া: শপথ করা।
- মাথা ঘামানো: ভাবনা করা ৷ 

ক) গুরুদোষ
খ) লঘুদোষ
গ) মিশ্রদোষ
ঘ) গুরুচণ্ডালী
Note :

- সাধু ও চলিত ভাষার মিশ্রণকে গুরুচণ্ডালী দোষ বলে।
- যেমন:
অশুদ্ধ: অতঃপর তারা চলে গেল।
শুদ্ধ: তারপর তারা চলে গেল।

ক) পরীক্ষাগার
খ) গণসংযোগ
গ) স্মারকলিপি
ঘ) অবতরণ
Note :

'Memorandum ' শব্দের পারিভাষাঃ স্মারকলিপি; চিঠি; চিরকুট; চীরকুট; নোট; ভবিষ্যতে ব্যবহারের জন্য ঘটনাদির তালিকা; ভবিষ্যৎ ব্যবহারের জন্য নোট; স্মরণ রাখতে হবে এমন বিষয়; স্মারক ) দাফতরিক যোগাযোগ সম্পর্কিত অনানুষ্ঠানিকভাবে সম্পন্ন বা স্বাক্ষরিত হয়নি।

ক) আশীষ
খ) শিরচ্ছেদ
গ) দ্বন্দ্ব
ঘ) মুমুর্ষু
Note :

শুদ্ধ বানানঃ দ্বন্দ্ব।

অন্য অপশনগুলোর শুদ্ধ বানানঃ
আশীষ - আশিস,
শিরচ্ছেদ - শিরশ্ছেদ,
মুমুর্ষূ - মুমূর্ষু ।  

ক) কমা
খ) কোলন
গ) সেমিকোলন
ঘ) ত্রিবিন্দু
Note :

ত্রিবিন্দু ( ... )-কোনো অংশ বাদ দিতে চাইলে ত্রিবিন্দুর ব্যবহার হয়।
যেমনঃ তিনি রেগে গিয়ে বললেন, “তার মানে তুমি একটা ...।” আমাদের ঐক্য বাইরের। ... এ ঐক্য জড় অকর্মক, সজীব সকর্মক নয়।

ক) দীর্ঘ
খ) অতিদীর্ঘ
গ) সংক্ষিপ্ত
ঘ) অপরিবর্তিত
Note :

- সংস্কৃত ভাষা থেকে উৎপন্ন ভাষাকে সাধু ভাষা হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- সাধারণ মানুষের মুখের ভাষাকে চলিত ভাষা বলে।
- সাধু ও চলিত ভাষার মূল পার্থক্য হলো: - সাধু রীতি গুরুগম্ভীর ও তৎসম শব্দবহুল কিন্তু চলিত রীতি - তদ্ভব শব্দবহুল ও পরিবর্তনশীল।
- সাধু রীতিতে সর্বনাম ও  ক্রিয়াপদ এক বিশেষ গঠন পদ্ধতি মেনে চলে।
- অপরদিকে,  চলিত রীতিতে সর্বনাম ও ক্রিয়াপদ পরিবর্তিত ও সহজতর রূপ লাভ করে।
- সাধু রীতিতে সর্বনাম, ক্রিয়া ও অনুসর্গের পূর্ণরূপ ব্যবহার করা হয়।
- অপরদিকে, চলিত রীতিতে সর্বনাম, ক্রিয়া ও অনুসর্গের সংক্ষিপ্ত রূপ ব্যবহার করা হয়।
- যেমন: অতঃপর তাহারা চলিয়া গেল (সাধু)। তারপর তারা চলে গেল (চলিত)। জুতা (সাধু), জুতো (চলিত); বন্য (সাধু), বুনো (চলিত); শুষ্ক (সাধু), শুকনো (চলিত)।

জব সলুশন

যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর-উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা (16-10-2026)

সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়-উপ-সহকারী প্রকৌশলী 15-10-2026

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়- ব্যক্তিগত কর্মকর্তা 14-10-2026

যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর-উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা (স্থগিত) 10-10-2026

সামরিক ভূমি ও ক্যান্টনমেন্ট অধিদপ্তর-জুনিয়র শিক্ষক 03-10-2026

ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর- যাচ মোহরার 02-10-2026

Job Solution Live Exam Recent Job Solution 2026

আমাদের মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন

যেকোনো সময়, যেকোনো জায়গা থেকে শিখুন