খাদ্যের কোন উপাদান রক্তের হিমোগ্লোবিন তৈরিতে সাহায্য করে?

ক) আমিষ
খ) শর্করা
গ) স্নেহ
ঘ) ভিটামিন
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:

হিমোগ্লোবিনের মূল উপাদান হলো লোহা বা আয়রন। আমিষজাতীয় খাবার যেমন—গরু বা খাসির মাংস এবং কলিজা থেকে শরীর খুব সহজে আয়রন শোষণ করতে পারে। আমিষের পাশাপাশি হিমোগ্লোবিন বাড়াতে ভিটামিন বি-১২ এবং ফলিক অ্যাসিডও প্রয়োজন হয়। 

Related Questions

ক) মাইকেল কলিন্স
খ) ইউরি গ্যাগারিন
গ) নীল আর্মস্ট্রং
ঘ) এডুইন অলড্রিন
Note :

মার্কিন নভোচারী নীল আর্মস্ট্রং (Neil Armstrong) প্রথম মানুষ হিসেবে চাঁদের মাটিতে পা রাখেন। তিনি ১৯৬৯ সালের ২০ জুলাই অ্যাপোলো ১১ (Apollo 11) মহাশূন্যযানে করে চাঁদে অবতরণ করেন এবং তাঁর সহযাত্রী বাজ অলড্রিন (Buzz Aldrin) এর কিছুক্ষণ পরেই তাঁর সাথে চাঁদে হাঁটেন।

ক) ১৯৯৩
খ) ১৯৯৪
গ) ১৯৯৫
ঘ) ১৯৯৬
Note :

ফিলিস্তিন মুক্তি সংগ্রামের অবিসংবাদিত নেতা ইয়াসির আরাফাত ১৯২৯ সালের ২৪ আগস্ট মিশরের রাজধানী কায়রোতে জন্মগ্রহণ করেন ।আরব বিশ্বে তিনি The great survivor বলে পরিচিত ছিলেন । তিনি ১৯৬৯ সালে পিএল ওর চেয়ারম্যান নিযুক্ত হন । ইরাসির আরাফাত ১১ নভেম্বর ২০০৪ সালে ইন্তেকাল করেন।

ক) লোহায় মরিচা ধরা
খ) তাপ দ্বারা মোম গলানো
গ) বরফ গলে পানি হওয়া
ঘ) লবণ পানিতে দ্রবীভূত হওয়া
Note :

লোহায় মরিচা ধরা একটি রাসায়নিক পরিবর্তন। 

বাতাসের অক্সিজেন এবং জলীয় বাষ্প বা আর্দ্রতার সাথে লোহার  রাসায়নিক বিক্রিয়ার ফলে সম্পূর্ণ নতুন ধর্ম ও গঠনের একটি পদার্থ, আয়রন অক্সাইড বা মরিচা তৈরি হয়। যেহেতু এতে মূল পদার্থের রাসায়নিক গঠন বদলে যায় এবং এটি একটি স্থায়ী বা অপরিবর্তনীয় প্রক্রিয়া, তাই এটি রাসায়নিক পরিবর্তন। 

ক) ক্যালসিয়াম কার্বনেট
খ) সোডিয়াম ক্লোরাইড
গ) চিনি
ঘ) সালফিউরিক এসিড
Note :

সোডিয়াম যৌগ বা খাবার লবণ স্বচ্ছ ,বর্ণহীন কঠিন পদার্থ এবং পানিতে অতি দ্রবণীয় ।
 চিনি এবং সালফিউরিক এসিড উভয় পানিতে দ্রবণীয় ।
বিশুদ্ধ সালফিউরিক এসিড ঘন তৈলাক্ত তরল পদার্থ , যা পানিতে সকল অনুপাতে মিশ্রনীয় ।পক্ষান্তরে ,ক্যালসিয়াম কার্বনেট প্রকৃতিতে চুনাপাথর , মারবেল পাথর,চক ও অন্যান্যরূপে বিদ্যমান ,যা বিশুদ্ধ পানিতে অদ্রবণীয় হলেও কার্বন ডাই - অক্সাইড মিশ্রিত পানিতে দ্রবীভূত হয় ।

ক) তামা
খ) রূপা
গ) সোনা
ঘ) কার্বন
Note :

যার মধ্য দিয়ে বিদ্যুৎ সহজে চলাচল করতে পারে তাকে বিদ্যুৎ সুপরিবাহী বলে।
- বিদ্যুৎ পরিবহনের এ ধর্মকে বিদ্যুৎ পরিবাহিতা বলে।
- তামা, সোনা, রূপা ইত্যাদি বিদ্যুৎ সুপরিবাহী।
- তবে যার রোধ যত কম তার বিদ্যুৎ পরিবাহিতা তত বেশি।
- এক্ষেত্রে রূপার রোধ সবচেয়ে কম বলে এর বিদ্যুৎ পরিবাহিতা সবচেয়ে বেশি।

 


 

ক) পরিবন
খ) পরিচলন
গ) বিকিরণ
ঘ) এর কোনোটিই নয়
Note :

যে পদ্ধতিতে তাপ পদার্থের উষ্ণতর অংশ থেকে শীতলতর অংশে বা উষ্ণতর বস্তু শীতলতার বস্তুতে সঞ্চালিত হয় সে পদ্ধতিকে পরিবহন বলে । যে পদ্ধতিতে তাপ কোন পদার্থের অনুগুলুর চলাচল দ্বারা উষ্ণতর অংশ থেকে শীতলতর অংশে সঞ্চালিত হয় তাকে পরিচিলন বলে। যে পদ্ধতিতে তাপ জড় মাধ্যমের সাহায্য ছাড়াই তড়িৎ চুম্বকীয় তরঙ্গের আকারে উষ্ণ বস্তু থেকে শীতল বস্তুতে সঞ্চালিত হয় তাকে বিকিরণ বলে ।বিকিরণ পদ্ধতিতে তাপ সবচেয়ে দ্রুত সঞ্চালিত হয়।

জব সলুশন

বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন - ল্যাবরেটরি অ্যাটেনডেন্ট (31-07-2026)

বাংলাদেশ সরকারী কর্ম কমিশন- পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়- সহকারী পরিচালক (প্রশাসন) ১৪-০৭-২০২৬

সমন্বিত ব্যাংক — অফিসার (ক্যাশ) 03-07-2026

যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর — অফিস সহায়ক ২৭-০৬-২০২৬

ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড — সেকশন ইঞ্জিনিয়ার 19-06-2026

বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্পোরেশন — কারিগরি কর্মকর্তা 19-06-2026

Job Solution Live Exam Recent Job Solution 2026

আমাদের মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন

যেকোনো সময়, যেকোনো জায়গা থেকে শিখুন