পৃথিবী থেকে চাঁদের দূরত্ব কত?
পৃথিবী থেকে চাঁদের দূরত্ব ৩, ৮৪, ০০০ কিমি।
চাঁদ পৃথিবীর একমাত্র প্রাকৃতিক উপগ্রহ এবং সৌর জগতের পঞ্চম বৃহৎ উপগ্রহ।
পৃথিবীর কেন্দ্র থেকে চাঁদের কেন্দ্রের গড় দূরত্ব হচ্ছে ৩৮৪, ৪০৩ কিলোমিটার (২৩৮, ৮৫৭ মাইল) যা পৃথিবীর ব্যাসের প্রায় ৩০ গুণ।
Related Questions
কোয়াশিয়রকর রোগ আমিষ বা প্রোটিনের অভাবে হয়।
সাধারণত খাদ্যে পর্যাপ্ত ক্যালরি থাকলেও আমিষের চরম ঘাটতি থাকলে এই রোগটি দেখা দেয়। এটি মূলত ১ থেকে ৪ বছর বয়সী শিশুদের মধ্যে বেশি দেখা যায়, বিশেষ করে মায়ের বুকের দুধ ছাড়ানোর পর যখন শিশুদের আমিষযুক্ত খাবার (যেমন—মাছ, মাংস, ডিম, ডাল ইত্যাদি) দেওয়া হয় না।
'মিষ্টি আলু' শ্বেতসার জাতীয় খাদ্য।
উদ্ভিদে শ্বেতসার বা স্টার্চ সঞ্চিত পদার্থ রূপে বিরাজ করে। স্টার্চ একটি পলিস্যাকারাইড। এর সাধারণ সংকেত (C6H10O5)n।
সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় সৃষ্ট গ্লুকোজের অধিকাংশই পরিবর্তিত হয়ে শ্বেতসারে পরিণত হয়। শ্বেতসার সাধারণত ঘনীভূত দানা হিসেবে উদ্ভিদ কোষে বিরাজ করে এবং এদের আকার - আকৃতি বিভিন্ন উদ্ভিদে বিভিন্ন রকম।
বীজ, ফল, কন্দ প্রভৃতি সঞ্চয়ী অঙ্গে শ্বেতসার জমা হয়। ধান, গম, আলু শ্বেতসারের প্রধান উৎস।
ভিটামিন ‘এ’-এর অভাবে রাতকানা রোগ হয়। এই ভিটামিনের অভাবে চোখের রেটিনায় প্রয়োজনীয় রঞ্জক পদার্থ বা 'রোডপসিন' তৈরি ব্যাহত হয়, যার ফলে কম আলো বা রাতে দেখতে সমস্যা হয়।
এইডস (এইচআইভি) প্রতিরোধের ক্ষেত্রে সচেতনতা সৃষ্টি সবচেয়ে বেশি কার্যকরী। সঠিক জ্ঞান ও সচেতনতাই একমাত্র এইচআইভি সংক্রমণ এড়াতে সহায়তা করে।
আলট্রাভায়োলেট বা অতিবেগুনী রশ্মি (UV) প্রধানত চর্ম ক্যান্সার (Skin Cancer) বা ত্বকের ক্যান্সার সৃষ্টি করে। সূর্যের এই ক্ষতিকর রশ্মি ত্বকের কোষের ডিএনএ-তে (DNA) সরাসরি ক্ষতি করে, যার ফলে মেলানোমা (melanoma), বেজাল সেল কার্সিনোমা (basal cell carcinoma), এবং স্কোয়ামাস সেল কার্সিনোমা (squamous cell carcinoma)-এর মতো মারাত্মক চর্ম রোগ দেখা দেয়।
নাইট্রোজেনের প্রধান উৎস হলো বায়ু। বায়ুমণ্ডলে প্রায় ৭৮.০৯% নাইট্রোজেন গ্যাস রয়েছে। এটি বায়ুর সবচেয়ে প্রাচুর্যপূর্ণ রাসায়নিক উপাদান। প্রকৃতিতে এই নাইট্রোজেন বায়ু থেকে মাটিতে, মাটি থেকে উদ্ভিদে এবং জীবদেহে চক্রাকারে আবর্তিত হয়।
জব সলুশন