কোন শব্দ গঠনে বাংলা উপসর্গ ব্যবহৃত হয়েছে?
বাংলা ব্যাকরণে খাঁটি বাংলা উপসর্গ একুশটি। এগুলো হলো -
অ, অঘা, অজ, অনা, আ, আড়, আন, আব, ইতি, ঊন (ঊনা), কদ, কু, নি, পাতি, বি, ভর, রাম, স, সা, সু ও হা ।
Related Questions
শূন্যপুরাণ বাংলা সাহিত্যের অন্ধকার যুগের একটি সাহিত্যকর্ম। এর রচয়িতা রামাই পন্ডিত। এটি একটি চম্পুকাব্য, যাতে পদ্য ও গদ্য উভয়ই মিশ্রিত রয়েছে।
শূন্যপুরাণের রচনাকাল ১৪শ শতাব্দীর মধ্যভাগে ধারণা করা হয়।
এটি হিন্দু দেবতা শিবের জীবন ও কর্মকীর্তি নিয়ে রচিত একটি ধর্মীয় মহাকাব্য।
শূন্যপুরাণ বাংলা সাহিত্যের অন্ধকার যুগের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রচনা। এই যুগে বাংলা সাহিত্যে হিন্দু ধর্ম ও সংস্কৃতির প্রভাব ব্যাপকভাবে দেখা যায়।
শূন্যপুরাণে রামাই পন্ডিত শিবের জীবন ও কর্মকীর্তিকে বর্ণনা করেছেন একটি কল্পিত দ্বীপ শূন্যপুরের পটভূমিতে।
কাব্যটিতে পদ্য ও গদ্য উভয়ই ব্যবহার করা হয়েছে। পদ্যগুলি মূলত শিবের গুণগান ও বীরত্বের বর্ণনা করে, যখন গদ্য অংশগুলি কাহিনী বর্ণনা করতে ব্যবহৃত হয়।
সঠিক উত্তর হলো কমা, যা ইংরেজি 'Comma' শব্দ থেকে এসেছে।
'Subconscious' শব্দটির বাংলা পারিভাষক শব্দ অবচেতন বা যেসব মানসিক ক্রিয়াকলাপ সম্বন্ধে মানুষ (পুরোপুরি ) সচেতন থাকে না। অন্যদিকে (গ) 'চেতনাহীন' শব্দটির ইংরেজি ' Unconscious' ।
বৃক্ষ’ শব্দের সমার্থক শব্দ ‘বিটপী’। এর আরো কতিপয় সমার্থক শব্দ হলো – গাছ, শাখী, দ্রুম, মহীরুহ, তরু, পাদপ ইত্যাদি।
পক্ষান্তরে, ‘কলাপী’ হচ্ছে ময়ূর শব্দে ‘নীরধি’ হচ্ছে ‘সাগর’ শব্দের এবং
অবনি’ হচ্ছে পৃথিবী’-এর সমার্থক শব্দ।
আমরা জানি,
রম্বসের ক্ষেত্রফল = (১/২) × ২ কর্ণের গুনফল
={(১/২) × ৮ × ৯ } বর্গ সে.মি.
=৩৬ বর্গ সে.মি. = বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল
বর্গক্ষেত্রের একবাহুর দৈর্ঘ্য = √৩৬ সে.মি.
=৬ সে.মি.
বর্গক্ষেত্রের পরিসীমা = (৪ × ৬) সে.মি. =২৪ সে.মি.
প্রদত্ত ঘনকের বাহুর দৈর্ঘ্য যথাক্রমে ৩ সে.মি., ৪ সে.মি. এবং ৫ সে.মি।
ঘনকের আয়তন = বাহুর ঘনফল, তাই
৩³ + ৪³ + ৫³ = ২৭ + ৬৪ + ১২৫ = ২১৬
নতুন ঘনকের আয়তন = ২১৬, তাহলে নতুন ঘনকের বাহু x মি:
x³ = ২১৬ → x = ৬ সে.মি।
অতএব, নূতন ঘনকের বাহুর দৈর্ঘ্য ৬ সে.মি।
জব সলুশন