একটি আয়তাকার কক্ষের ক্ষেত্রফল ১৯২ বর্গমিটার। এর দৈর্ঘ্য ৪ মিটার কমালে এবং প্রস্থ ৪ মিটার বাড়ালে ক্ষেত্রফল অপরিবর্তিত থাকে। আয়তাকার কক্ষের সমান পরিসীমাবিশিষ্ট বর্গাকার কক্ষের ক্ষেত্রফল কত হবে?
মনে করি,
দৈর্ঘ্য = x
প্রস্থ = ১৯২/x
প্রশ্নমতে,
(x - 8){(১৯২/x) + 8} = ১৯২
বা, (x - 8)(১৯২ + 8x) = ১৯২x
বা, ১৯২x + 8x² - ৭৬৮ - ১৬x = ১৯২x
বা, 8x² - ১৬x - ৭৬৮ = ০
বা, x² - 8x - ১৯২ = ০
বা, x² - ১৬x + ১২x - ১৯২ = ০
বা, x(x - ১৬) + ১২(x - ১৬) = ০
বা, (x - ১৬)(x + ১২) = ০
∴ x = ১৬ মিটার (x = –১২ হবে না, কারণ দৈর্ঘ্য ঋণাত্মক হতে পারে না)
প্রস্থ = ১৯২/১৬ = ১২ মিটার
পরিসীমা = ২ (১৬ + ১২) = ৫৬
বর্গের এক বাহু = ৫৬/৪ = ১৪ মিটার
∴ বর্গের ক্ষেত্রফল = (১৪)² = ১৯৬ বর্গমিটার
Related Questions
ধরি, সংখ্যাটি x.
এখানে, ০.১ পৌনোপৌনিক = ১/৯
এবং ০.১ = ১/১০
প্রশ্নমতে, x/৯ - x/১০ = ১
বা, (১০x - ৯x)/৯০ =১
বা, x = ৯০
সুতরাং, সংখ্যাটি ৯০
গাড়ির ব্যাটারিতে পাতলা সালফিউরিক এসিড ব্যবহৃত হয়। এটি পানির সাথে মিশিয়ে প্রায় ৩০% থেকে ৫০% ঘনত্বের মিশ্রণ তৈরি করা হয়, যাকে ইলেকট্রোলাইট বলে।
পানির ভেতর হাইড্রোজেন বন্ধনের কারণে এমনটা হয়। বরফের ঘনত্ব পানির চেয়ে প্রায় ৯ শতাংশ কম। সুতরাং, বরফ পানিতে ডুবে যায় না, ভেসে থাকে।
শ্বসন হল বাতাস হতে জীবের কলাতন্ত্রে অক্সিজেনের সরবরাহের এবং বিপরীত প্রক্রিয়ায় কার্বন-ডাই-অক্সাইডের নির্গমন প্রক্রিয়া।
ল্যাথারিজম রোগের সম্পর্ক রয়েছে খেসারি ডালের সাথে। অতিরিক্ত বা দীর্ঘ সময় ধরে খেসারি ডাল খেলে এই স্নায়বিক রোগ হতে পারে।
যার মধ্য দিয়ে বিদ্যুৎ সহজে চলাচল করতে পারে তাকে বিদ্যুৎ সুপরিবাহী বলে।
- বিদ্যুৎ পরিবহনের এ ধর্মকে বিদ্যুৎ পরিবাহিতা বলে।
- তামা, সোনা, রূপা ইত্যাদি বিদ্যুৎ সুপরিবাহী।
- তবে যার রোধ যত কম তার বিদ্যুৎ পরিবাহিতা তত বেশি।
- এক্ষেত্রে রূপার রোধ সবচেয়ে কম বলে এর বিদ্যুৎ পরিবাহিতা সবচেয়ে বেশি।
জব সলুশন