“আইনের চোখে সব নাগরিক সমান।”— বাংলাদেশের সংবিধানের কত নম্বর ধারায় এ নিশ্চয়তা প্রদান করা হয়েছে?
“আইনের চোখে সব নাগরিক সমান”—বাংলাদেশের সংবিধানের ২৭ নম্বর অনুচ্ছেদে (ধারা) এ নিশ্চয়তা প্রদান করা হয়েছে।
Related Questions
জাতিসংঘ ঘোষিত সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্য বা MDG এর প্রধান লক্ষ্য হলো দারিদ্র্য নির্মূল করা । আর দরিদ্রতা দূর করার জন্য স্বাভাবিকভাবেই দারিদ্র্য মানুষের ন্যূনতম দৈনিক আয় ১.২৫ ডলারের উপর করতে হবে দারিদ্র্যসীমার মধ্য থেকে বের হয়ে আসার জন্য । আর এজন্যই MDG -এর লক্ষ্য অর্জনে সুশাসনের অর্থনৈতিক বিষয়ের উপর গুরুত্ব দেয় ।
গণতান্ত্রিক সমাজ ব্যবস্থায় সুশাসন হলো একটি কাঙ্ক্ষিত বিষয়, যা প্রতিষ্ঠার জন্য প্রশাসনের নিরপেক্ষতা, নিরপেক্ষ বিচার ব্যবস্থা, নিরপেক্ষ আইন ব্যবস্থা, প্রশাসনের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা ইত্যাদি বিষয়গুলো পূর্ণমাত্রায় বজায় থাকলেও যদি মত প্রকাশের স্বাধীনতা বিষয়টি না থাকে তাহলে স্বাভাবিকভাবেই সুশাসন থাকে না । কেননা, মত প্রকাশের স্বাধীনতার মাধ্যমেই রাষ্ট্রীয় যাবতীয় কাজের সমালোচনা করে সুন্দর রাষ্ট্র ব্যবস্থা গড়ে তোলা যায় ।
কোনো সমাজে একক কোনো নীতিমালা মূল্যবোধের আকার ধারণ করে তালিকা নির্ধারণ করা অত্যান্ত শক্ত, তবে আইনের শাসন, সহনশীলতা, সামাজিক ন্যায়বিচার নীতি ও ঔচিত্যবোধ গণতান্ত্রিক সমাজে সর্বজনস্বীকৃত উপাদান আর এসবের উপর ভিত্তি করেই সামাজিক মূল্যবোধ গড়ে উঠে ।
মূল্যবোধের সংজ্ঞা সম্পর্কে জে. টি. স্পেন্সার বলেছেন 'মূল্যবোধ হলো একটি মানদণ্ড, যা আচরণের ভাল মন্দ বিচারের এবং সম্ভাব্য বিভিন্ন লক্ষ্য হতে কোনো একটি বিষয় পছন্দ করার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয় ।
নীতিবিদ্যা সমাজে বসবাসকারী মানুষের কাজের ভাল - মন্দ , উচিত - অনুচিত বিষয়গুলো নিয়ে কাজ করে । আর উপযুক্ত বিষয়গুলো স্বাভাবিকভাবেই ঐচ্ছিক কাজ । অকস্মাৎ ঘটে যাওয়া ও অন্যের দ্বারা প্রভাবিত হয়ে কোনো কর্মকাণ্ড নীতিবিদ্যা আলোচনা করে না।
নীতিবিদ্যার মূল আলোচ্য বিষয় হলো মানুষের মানবাচরণ, ভালো-মন্দ এবং ন্যায়-অন্যায়। এটি সমাজে বসবাসকারী মানুষের স্বেচ্ছাকৃত বা ঐচ্ছিক কাজের মূল্যায়ন ও আদর্শ নিয়ে আলোচনা করে
জব সলুশন