১৯৮২ সালের সমুদ্র আইন সংক্রান্ত কনভেনশন অনুযায়ী একটি উপকূলীয় রাষ্ট্রের মহীসোপানের (Continental Shelf) সীমা হবে ভিত্তি রেখা হতে-
সমুদ্রসীমা নির্ধারণ করতে ১৯৮২ সালে জাতিসংঘ সমুদ্র কনভেনশন আইন (আনকজ) প্রণীত হয়। ১৯৯৫ সালে ভারত এই কনভেনশনে স্বাক্ষর করে, মিয়ানমার স্বাক্ষর করে ১৯৯৬ সালে এবং বাংলাদেশ ২০০১ সালে। এই আইন অনুযায়ী একটি দেশ তার বেজলাইন হতে ১২ নটিক্যাল মাইল (১ নটিক্যাল মাইল = ১ দশমিক ৮৫২ কিলোমিটার) রাষ্ট্রীয় সমুদ্রসীমা এবং আরো ১৮৮ নটিক্যাল মাইলসহ মোট ২০০ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমা হিসেবে ঘোষণা করতে পারবে। মহীসোপানের আরো ১৫০ নটিক্যাল মাইল যোগ করে (২০০ মিটার গভীরতা পর্যন্ত মহীসোপান) সম্প্রসারিত অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমা সর্বোচ্চ ৩৫০ নটিক্যাল মাইলের বেশি হবে না।
Related Questions
উইঘুর হলো [চীনের একটি সংখ্যালঘু মুসলিম জাতিগোষ্ঠী]। এরা মূলত মধ্য এশিয়া ও উত্তর-পশ্চিম চীনের শিনচিয়াং (জিনজিয়াং) অঞ্চলে বসবাস করে।
ব্রিকসের ১৬তম শীর্ষ সম্মেলন ইতিমধ্যে ২২–২৪ অক্টোবর ২০২৪ তারিখে রাশিয়ার কাজান (Kazan) শহরে অনুষ্ঠিত হয়।
তীয় বিশ্বযুদ্ধের পর পূর্ব-পশ্চিম দ্বন্দ্বের ফলে সৃষ্ট পূর্বের অর্থনৈতিক জোটটির নাম ছিল কমেকন । এটি ১৯৪৯ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতৃত্বে গঠিত হয়েছিল।
জলবায়ু পরিবর্তনের হুমকির ব্যাপকতা তুলে ধরার জন্য সমুদ্রের গভীরে মন্ত্রিসভার বৈঠক করেছে - মালদ্বীপ।
জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে বিশ্বের যেসব দেশ সবচেয়ে অরক্ষিত অবস্থায় রয়েছে, বাংলাদেশ তার মধ্যে অন্যতম। দেশটির লাখ লাখ নাগরিক নানা সময়ে ঘূর্ণিঝড়, বন্যা, জলোচ্ছ্বাস, দাবদাহ ও খরার মতো মারাত্মক প্রাকৃতিক দুর্যোগের মুখোমুখি হয়েছে এবং সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে গাঙ্গেয় ব - দ্বীপের অনেক অংশ ডুবে যাবে।
বৈশ্বিক জলবায়ুর পরিবর্তন কিছু কিছু অঞ্চলের আবহাওয়ার সংকটময় অবস্থাকে আরও শোচনীয় করে তুলবে এবং উপকূলীয় অঞ্চলে বসবাসকারী মোটামুটি ঝুঁকিতে থাকা মানুষকে আরও বেশি হুমকির মুখে ফেলবে।
‘গ্লোবাল টেররিজম ইনডেক্স’ (Global Terrorism Index) ২০১৪ অনুযায়ী বিশ্বে সর্বাপেক্ষা ঝুঁকিপূর্ণ বা শীর্ষ সন্ত্রাসী আক্রান্ত রাষ্ট্র হলো ইরাক।
জাপানের সংবিধানকে শান্তির সংবিধান বলা হয় ।এটাকে আবার ' যুদ্ধোত্তর সংবিধান 'নামেও অভিহিত করা হয় ।দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ১৯৪৭ সালের ৩ মে জাপান পুরনো সংবিধান রহিত করে নতুন সংবিধান রচনা করে।মূলত দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে পরাজয়ের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের নির্দেশনায় জাপানের সংবিধান রচিত হয়েছিল ।এ সংবিধানে উল্লেখ করা হয় জাপানি জনগণ ;জাতির একটি সার্বভৌম অধিকার হিসেবে চিরতরে যুদ্ধ পরিহার করছে ' এবং ভূমি ,নৌ ও বিমানবিহিনীসহ অন্যান্য সম্ভাব্য যুদ্ধ সৃষ্টিকারী বিহিনী রাখবে না ।এজন্যই মূলত জাপানের সংবিধান শান্তিবাদী সংবিধান নামে পরিচিত ।উল্লেখ্য ,১৭ সেপ্টেম্বর ,২০১৫ সালে দেশটির আইনসভা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর প্রথমবারের মত সীমান্ত পেরিয়ে লড়াইয়ে সেনাবাহিনীকে আইন পাসের মাধ্যমে ক্ষমতা প্রদান করে ।
জব সলুশন