সুশাসনের পথে অন্তরায়–
সুশাসনের অন্তরায়গুলো হলো - স্বজনপ্রীতি, দুর্নীতি , অনিয়ম ইত্যাদি। অন্যদিকে আইনের শাসন, জবাবদিহিতা ও ন্যায়পরায়ণতা হলো সুশাসনের বৈশিষ্ট্য।
Related Questions
একজন জনপ্রশাসকের মৌলিক মূল্যবোধ গুলো সততা , ন্যায়পরায়ণতা , স্বচ্ছতা , জবাবদিহিতা প্রভৃতি । তবে সবগুলোই জনকল্যাণকে কেন্দ্র করে পরিচালিত হওয়ায় জনকল্যাণ - ই হবে একজন জনপ্রশাসকের প্রধান মৌলিক মূল্যবোধ।
সুশাসনের পূর্বশর্ত হচ্ছে অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়ন। অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়ন ছাড়া সুশাসন প্রতিষ্ঠা সম্ভবপর হয় না।
-সুশাসনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হল শাসক ও শাসিতের মধ্যে আস্থার সম্পর্ক।
-এই আস্থার সম্পর্ক গড়ে উঠলে জনগণ সরকারের সিদ্ধান্ত এবং কার্যক্রমকে সমর্থন করে।
-তারা সরকারের সাথে সহযোগিতা করে এবং সরকারের কাজে অংশগ্রহণ করে। এর ফলে সরকারের কার্যকারিতা বৃদ্ধি পায় এবং জনকল্যাণ নিশ্চিত করা সহজ হয়
যে চিন্তাভাবনা, লক্ষ্য , উদ্দেশ্য ও সংকল্প মানুষের সামগ্রিক আচার আচরণ ও কর্মকান্ডকে নিয়ন্ত্রিত ও পরিচালিত করে তাকেই মূল্যবোধ বলে।এই মূল্যবোধ শিক্ষার প্রধান লক্ষ্য হলো সামাজিক অবক্ষয় রোধ করা।
ব্যক্তিগত মূল্যবোধ হলো ব্যক্তির স্বতন্ত্র মূল্যবোধ। এই মূল্যবোধ ব্যক্তির স্বাধীনতাকে পালন করা হয়।
- যদিও নির্দিষ্ট কোনো গোষ্ঠী, সংস্কৃতি , ধর্ম রাজনৈতিক দল, পরিবার , বন্ধু -বান্ধব, জাতীয়তা , ইতিহাস প্রভৃতি ব্যক্তিগত মূল্যবোধ গঠনে সাহায্য করে। তথাপি সময়ের পরিবর্তনের সাথে সাথে নিজস্ব অর্জিত জ্ঞান ও দৃষ্টিভঙ্গির উপর ভিত্তি করে ব্যক্তি ব্যক্তিগত মূল্যবোধ মূল্যবোধের প্রধান পার্থক্য হলো ব্যক্তির স্বাধীনতা বা স্বকীয়তা । তাই সমাজের এক এক ব্যক্তির মূল্যবোধ এক এক রকম ।
‘নৈতিক আচরণবিধি’ (Code of ethics) বলতে মূলত মৌলিক মূল্যবোধ সংক্রান্ত সাধারণ বচন যা কোনো সংগঠনের পেশাগত ভূমিকাকে সংজ্ঞায়িত করে, বাস্তবতার নিরিখে নির্দিষ্ট আচরণের মানদণ্ড নির্ধারণ সংক্রান্ত নিয়ম, এবং দৈনন্দিন কার্যকলাপ ত্বরান্বিত করার জন্য প্রণীত নৈতিক নির্দেশিকাকে বোঝায়।
জব সলুশন