লাওসের (Laos) সরকারি নাম কী?
লাওস (Laos) দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার সরকারি নাম দেশ। এর রাজধানী ভিয়েনতিয়েন । দেশটির সরকারি নাম Loas people's Demoscratic Republic
Related Questions
১৭৮৩ সালে ফ্রান্সের ভার্সাই নগরীতে চারটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। যথা - গ্রেট ব্রিটেনের রাজা তৃতীয় জর্জের সাথে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদের শান্তি চুক্তি, ফ্রান্সের রাজা ষোড়শ লুই - এর প্রতিনিধিগণ ও স্পেনের রাজা তৃতীয় চার্লসের মধ্যে স্বাক্ষরিত দুটি চুক্তি এবং ডাচ প্রজাতন্ত্রের রাজ্য প্রধানদের প্রতিনিধিদের মধ্যে চুক্তি। প্রথম চুক্তির মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা যুদ্ধের পরিসমাপ্তি ঘটে।
প্রেসিডেন্ট উড্রো উইলসনের ১৪ দফা (Fourteen Points) প্রস্তাবের ১৪ নম্বর বা শেষ পয়েন্টে জাতিপুঞ্জ (League of Nations) গঠনের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
১৯৭০ সালের ২২ এপ্রিল মার্কিন সিনেটর গেলর্ড নেলসন ধরিত্রী দিবসের প্রচলন করেন। ১৯৯০ সালে জাতিসংঘ তাদের বাৎসরিক পঞ্জিকায় দিবসটিকে স্থান দেয় এবং জাতিসংঘের অন্তর্ভুক্ত দেশসমূহে তা প্রতিপালনের জন্য উৎসাহ প্রদান করা শুরু করে।
ভূমধ্যসাগর ও লোহিত সাগরের মধ্যে সংযোগ স্থাপনকারী সুয়েজ খাল খনন শুরু হয় ২৪ এপ্রিল ১৮৫৯। এটি প্রথম নৌ চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হয় ১৮৬৯ সালের ১৭ নভেম্বর। মিশর এ খালটি জাতীয়করণ করে ২৬ জুলাই ১৯৫৬।
কোরীয় যুদ্ধ (২৫ জুন ১৯৫০ – ২৭ জুলাই ১৯৫৩) জাতিসংঘ সমর্থিত কোরিয়া প্রজান্ত্র এবং সোভিয়েত ইউনিয়ন, গণপ্রজাতন্ত্রী চীন সমর্থিত গণতান্ত্রিক গণপ্রজাতন্ত্রী কোরিয়া মধ্যকার ১৯৫০-এর দশকের প্রথম দিকে শুরু হওয়া তিন বছরের অধিক সময় ব্যাপী সংঘটিত হওয়া একটি আঞ্চলিক সামরিক যুদ্ধ।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জাপানী সাম্রাজ্যের আত্মসমর্পণের পর মার্কিন প্রশাসন উপদ্বীপটিকে ৩৮ ডিগ্রী অক্ষরেখা বরাবর বিভক্ত করা হয় , এর মধ্যে মার্কিন সামরিক বাহিনী দক্ষিণ অর্ধেক নিজেদের দখলে আনে এবং সোভিয়েত সশস্ত্র বাহিনী উত্তর অর্ধেক অধিকারে আনে।
- যুক্তরাষ্ট্রের অধীনে ১৯৪৫ সালের ৮ সেপ্টেম্বর দক্ষিণ কোরিয়ায় গণতান্ত্রিক সরকার এবং ১৯৪৬ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি চীন ও সোভিয়েত ইউনিয়নের নিয়ন্ত্রণে উত্তর কোরিয়ায় সমাজতান্ত্রিক ধারার সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়।
- দীর্ঘদিন দুই কোরিয়ার মধ্যে উত্তেজনা বিরাজমান থাকার পর উত্তর কোরিয়া ১৯৫০ সালের ২৫ জুন দক্ষিণ কোরিয়ায় আক্রমণ চালায় এবং কোরীয় যুদ্ধের শুরু হয়। উত্তর কোরীয়ার সমর্থনে সোভিয়েত ইউনিয়ন ও চীন এবং দক্ষিণ কোরিয়ার সমর্থনে যুক্তরাষ্ট্র সৈন্য সমাবেশ ঘটায়। কোরিয়া সংকটকালীন সময়ে ১৯৫০ সালের ৩ নভেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ ''শান্তির জন্য ঐক্য'' (Uniting for Peace) প্রস্তাব পাশ করে এবং উত্তেজনা প্রশমনের চেষ্টা চালায়।
বাংলাদেশের ইতিহাসে সরকারের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও আলোচিত অর্জন। ২০১০ সালে গঠিত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধ ও যুদ্ধাপরাধের বিচার সম্পন্ন করা হয়, যা দীর্ঘদিনের জাতীয় দাবি ছিল।
জব সলুশন