কোনো রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে জাতীয় সংগীতের কত চরণ বাজানো হয়?
বঙ্গভঙ্গের প্রেক্ষাপটে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত 'আমার সোনার বাংলা 'কবিতার প্রথম ১০ চরণকে বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত হিসেবে ঘোষণা করা হয় এবং তা গৃহীত হয় ১৯৭২ সালের ১৩ জানুয়ারি। জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশনের বিধান অনুযায়ী কণ্ঠে গাইতে গেলে দশ চরণ আর যন্ত্র সঙ্গীতে বাজাতে গেলে চার চরণ পর্যন্ত বাজাতে হবে।
Related Questions
বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার রূপটি ১৯৭২ সালের ১৭ জানুয়ারি সরকারীভাবে গৃহীত হয়। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় যে পতাকা ব্যবহার করা হতো, যেখানে মাঝের লাল বৃত্তের ভেতর হলুদ রংয়ের একটি মানচিত্র ছিল। ১২ জানুয়ারি, ১৯৭২ তারিখে বাংলাদেশের পতাকা থেকে মানচিত্রটি সরিয়ে ফেলা হয়।
∎লালপুর বাংলাদেশের নাটোর জেলার অন্তর্গত একটি উপজেলা।
শুভলং ঝরনা বা জল প্রপাতটি রাঙামাটি সদরের বালুখালি ইউনিয়নে অবস্থিত। বাকলাই জলপ্রপাত বান্দরবানের থানচিতে ; মাধবকুণ্ড ও হামহাম জলপ্রপাতদ্বয় যথাক্রমে মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখা ও কমলগঞ্জ উপজেলায় অবস্থিত।
১৯৪৭ সালে ভারত ভাগের সময় পূর্ব বাংলা ভূখন্ডে মোট ১৭টি জেলা ছিলো।
- দেশ ভাগের পূর্বে পূর্ব বাংলা অংশে ১৫ টি জেলা ছিল। ১৯৪৭ সালে দেশভাগের সময় নদীয়া জেলা থেকে বৃহত্তর কুষ্টিয়াকে পাকিস্তানের অন্তর্ভুক্ত করা হয়। ফলে জেলার সংখ্যা হয় ১৬ টি।
- পরবর্তীতে গণভোটের মাধ্যমে বৃহত্তর সিলেট পাকিস্তানে যোগদান করলে জেলা হয় ১৭ টি।
- পাকিস্তান শাসনাধীন সময়ে ১৯৬৯ সালে ঢাকা জেলা থেকে টাঙ্গাইল ও বরিশাল জেলা থেকে পটুয়াখালী জেলার সৃষ্টি হয়। ফলে স্বাধীনতার পূর্বে বৃহত্তর জেলার সংখ্যা দাঁড়ায় ১৯টি
- বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার সময় বৃহত্তর জেলা ছিলো - ১৯টি।
স্বাধীন বাংলাদেশকে স্বীকৃতিদানকারী প্রথম দেশ ভুটান (৬ ডিসেম্বর ১৯৭১)
- স্বীকৃতি দানকারী প্রথম ইউরোপীয় দেশ পূর্ব জার্মানি (১১ জানুয়ারি ১৯৭২)
- প্রথম আরব দেশ ইরাক (৮ জুলাই ১৯৭২)
- মুসলিম দেশ সেনেগাল (১ ফেব্রুয়ারি ১৯৭২) ।
মুক্তিযুদ্ধকালীন ১৯৭১ সালের ১৪ই ডিসেম্বর বুদ্ধিজীবীদের ওপর সবচেয়ে বড় ও পরিকল্পিত ব্যাপক হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়, যা শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস হিসেবে পালિત হয়। এছাড়া ২৫শে মার্চ এবং ১০ থেকে ১৫ ডিসেম্বরের মধ্যেও অনেক বুদ্ধিজীবী হত্যার শিকার হন।
জব সলুশন