৬ দফা দাবী পেশ করা হয়:
ঐতিহাসিক ৬ দফা দাবি পেশ করা হয় ১৯৬৬ সালের ৫ ও ৬ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের লাহোরে বিরোধী দলগুলোর এক সম্মেলনে, যা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান উপস্থাপন করেছিলেন।
Related Questions
সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয় ৩১ জানুয়ারি ১৯৫২ ।
সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ বাংলা ভাষা আন্দোলনের সময় পূর্ব বাংলার একটি প্রথম সারির রাজনৈতিক দল ছিল। ১৯৫২ সালের ৩১ জানুয়ারিতে ঢাকা বিশ্ব বিদ্যালয়ের বার লাইব্রেরি হলে একটি সভায় এই দল গঠন করা হয়। এখানে সভাপতি ছিলেন মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী।
বাংলার 'ছিয়াত্তরের মন্বন্তর' বাংলা ১১৭৬ সনে (বঙ্গাব্দ) এবং ইংরেজি ১৭৭০ খ্রিষ্টাব্দে সংঘটিত হয়েছিল।
লালবাগ কেল্লা (আওরঙ্গবাদ দুর্গ) পুরান ঢাকার লালবাগে অবস্থিত একটি দুর্গ।
- মুঘল সম্রাট আওরঙ্গজেবের শাসনামলে শাহজাদা আযম শাহ ১৬৭৮ সালে এর নির্মাণ শুরু করেন এবং সুবেদার শায়েস্তা খানের আমলেও এর নিমার্ণ কাজ অব্যাহত থাকে।
- ১৬৮৪ সালে শায়েস্তা খানের কন্যা ইরান দুখত (পরিবিবি) এর মৃত্যু হলে শায়েস্তা খান এর নির্মাণ কাজ বন্ধ করে দেন।
- ১৮৪৪ সালে আওরঙ্গবাদ দুর্গের নাম পরিবর্তন করে নামকরণ করা হয় লালবাগ কেল্লা।
বাংলা (দেশ ও ভাষা) নামের উৎপত্তির বিষয়টি আইন-ই-আকবরী নামক ঐতিহাসিক গ্রন্থে সর্বাধিক উল্লেখিত হয়েছে।
বাংলার সর্বপ্রাচীন জনপদের নাম পুন্ড্র ।
প্ৰাচীনযুগে বাংলা নামে কোনো অখণ্ড রাষ্ট্ৰ ছিল না। বাংলার বিভিন্ন অংশ তখন বঙ্গ, পুণ্ড্ৰ, গৌড়, হরিকেল, সমতট, বরেন্দ্ৰ এরকম প্ৰায় ১৬টি জনপদে বিভক্ত ছিল। বাংলার বিভিন্ন অংশে অবস্থিত প্ৰাচীন জনপদগুলোর সীমা ও বিস্তৃতি সঠিকভাবে নির্ণয় করা অসম্ভব। কেননা বিভিন্ন সময়ে এসব জনপদের সীমানা হ্ৰাস অথবা বৃদ্ধি পেয়েছে। বাংলার জনপদগুলোর মধ্যে প্ৰাচীনতম হলো পুণ্ড্ৰ।
পৌন্দ্রিক শব্দ থেকে ‘পু নামের উৎপত্তি। এর অর্থ - আখ বা চিনি। বাংলাদেশের সর্বপ্রাচীন জনপদ হলাে পু। বগুড়া, রাজশাহী, রংপুর ও দিনাজপুর জেলার অবস্থানভূমিকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠে পুণ্ড্র জনপদ। প্রাচীন পুণ্ড রাজ্যের রাজধানী ছিল পুণ্ড্রবর্ধন বা পুণ্ড্রনগর। সম্রাট অশােকের রাজত্বকালে প্রাচীন পুণ্ডু রাজ্যের স্বাধীনতা বিলুপ্ত হয়। বর্তমান অবস্থান বগুড়া জেলার মহাস্থানগড়। বৈদিক সাহিত্য ও মহাভারতে এ জাতির উল্লেখ আছে। পাল রাজারা উত্তরবঙ্গকে তাদের পিতৃভূমি মনে করত। সেজন্য এর নামকরণ করেছিল বারিন্দ্রী। এই বারিন্দ্রী থেকে বরেন্দ্র শব্দের উৎপত্তি। বর্তমান করতােয়া নদীর পশ্চিম তীরের লালমাটি সমৃদ্ধ অঞ্চলই বরেন্দ্রভূমি নামে পরিচিত। গঙ্গা ও করতােয়া নদীর পশ্চিমাংশের মধ্যবর্তী অংশকে রামায়ণে বারিন্দ্রীমণ্ডল বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রাচীনকালে আর্যপূর্ব জনগোষ্ঠীর যে চারটি শাখা এখানে বাস করতো তারা হলো অস্ট্রিক , দ্রাবিড় , নেগ্রিটো ও ভোটসিনিয় । উল্লিখিত চারটি জনগোষ্ঠীর মধ্যে অস্ট্রিক জনগোষ্ঠী থেকে বাঙালি জাতির প্রধান অংশ গঠিত হয়েছে ।
জব সলুশন