‘কালাপানি’ কোন দুই রাষ্ট্রের মধ্যে অমীমাংসিত ভূখন্ড?
'কালাপানি ’ অমীমাংসিত ভূখণ্ডটি ভারত ও নেপালের মধ্যে অবস্থিত । এ ভূখণ্ডটি নেপালের মহাকালি এবং ভারতের উত্তরাখণ্ড সীমানায় অবস্থিত । ১৯৬২ সালের ভারত - চীন যুদ্ধের পর থেকে এটা ভারতের ইন্দো - তিব্বতি সীমান্ত নিরাপত্তা বাহিনী নিয়ন্ত্রণ করে আসছে ।
Related Questions
ক্রিকেটে বাংলাদেশ ২০০০ সালে টেস্ট মর্যাদা লাভ করে।
বাংলাদেশ ক্রিকেট দল আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে জাতীয় ক্রিকেট দল হিসেবে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করে। তারা "টাইগারস্" নামেও পরিচিত। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (সংক্ষেপে বিসিবি) এই দল পরিচালনা করে। বাংলাদেশ আইসিসি'র টেস্ট ও একদিনের আন্তর্জাতিক মর্যাদাপ্রাপ্ত স্থায়ী সদস্য দেশগুলোর অন্তর্ভুক্ত। ১০ম টেস্টখেলুড়ে দেশ হিসেবে ভারতের বিপক্ষে ২০০০ সালে ঢাকায় বাংলাদেশ নিজেদের প্রথম টেস্ট ম্যাচ খেলে।
বাংলাদেশে মর্যাদা অনুসারে ৩য় বীরত্বসূচক খেতাব হলো বীর বিক্রম। এটি মুক্তিযুদ্ধের সাহসিকতাপূর্ণ অবদানের জন্য প্রবর্তित তৃতীয় সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় খেতাব।
বাংলাদেশকে স্বীকৃতিদানকারী প্রথম অনারব মুসলিম দেশ সেনেগাল (১ ফেব্রুয়ারি ১৯৭২) । প্রশ্নে উল্লিখিত অপশনগুলোর মধ্যে মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়া অনারব মুসলিম দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দান করে ২৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৭২ । পাকিস্তান বাংলাদেশ কে স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে ২২ ফেব্রুয়ারি ১৯৭৪ ।
- বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব, উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত ।
- টারশিয়ারি যুগে হিমালয় পর্বত উথিত হওয়ার সময় এসব পাহাড় সৃষ্টি হয় । এগুলো টারশিয়ারি যুগের পাহাড় নামে খ্যাত ।
- পাহাড়সমূহ মিজোরামের লুসাই এবং মিয়ানমারের আরাকান পাহাড়ের সমগোষ্ঠীয় ।
- এ পাহাড়গুলো বেলেপাথর, শেল ও কর্দম দ্বারা গঠিত ।
এ অঞ্চলে পাহাড়সমূহকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে ।
যথাঃ
-ক. দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ ও
-খ. উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ ।
বাংলাদেশ সংবিধানের ১৩৭ নং অনুচ্ছেদে সরকারি কর্ম কমিশন গঠন সম্পর্কে বলা হয়েছে। ১৩০, ১৩১ ও ১৪০ অনুচ্ছেদে যথাক্রমে অস্থায়ী মহা হিসাব নিরীক্ষক, প্রজাতন্ত্রের হিসাবরক্ষার আকার ও পদ্ধতি এবং সরকারি কমূ কমিশনের দায়িত্ব সম্পর্কে আলােকপাত করা হয়েছে।
- বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (BCS) হলো বাংলাদেশ সরকারের সিভিল সার্ভিস, যা দেশের প্রশাসন পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- ১৯৮০ সালে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস ক্যাডার কম্পোজিশন অ্যান্ড ক্যাডার রুল জারির মাধ্যমে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (BCS) গঠিত হয়।
- প্রাথমিকভাবে ক্যাডার সংখ্যা ছিল ১৪টি।
- পরবর্তীতে বিভিন্ন সময়ে ক্যাডার সংখ্যা পরিবর্তিত হয়েছে। ১৯৮৫ সালে স্বাস্থ্য ক্যাডার ও পরিবার পরিকল্পনা ক্যাডার পৃথক হওয়ার পর ক্যাডার সংখ্যা দাঁড়ায় ২৯টি।
- ১ নভেম্বর, ২০০৭ তারিখে নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগ পৃথক হলে বিচার ক্যাডার বিলুপ্ত হয়ে বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশনের নিয়ন্ত্রণে আসে, ফলে মোট ক্যাডার সংখ্যা দাঁড়ায় ২৮টি।
- অতপর ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৪ তারিখে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস বিধিমালায় টেলিকমিউনিকেশন ক্যাডার বিলুপ্ত হলে ক্যাডার সংখ্যা হয় ২৭টি।
- সর্বশেষ ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ তারিখে বিসিএস ইকোনমিক ক্যাডারকে বিলুপ্ত করে প্রশাসন ক্যাডারের সাথে একীভূত করা হয়।
- এর ফলস্বরূপ, বর্তমানে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের মোট ক্যাডার সংখ্যা ২৬টি।
- ২০২৬ সালের মার্চ মাসের তথ্য অনুযায়ী, এই সংখ্যা অপরিবর্তিত রয়েছে।
- এই ২৬টি ক্যাডারের মধ্যে ১৪টি সাধারণ ক্যাডার এবং ১২টি কারিগরি/পেশাগত ক্যাডার রয়েছে।
- ২০২৫ সালের অক্টোবর মাসের তথ্যও এই সংখ্যাকে সমর্থন করে।
- উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন বিদ্যমান ২৬টি ক্যাডারকে ৬টি প্রধান সার্ভিসে বিভক্ত করার সুপারিশ বিবেচনা করছিল, তবে এটি এখনো কার্যকর হয়নি এবং বর্তমান ক্যাডার সংখ্যা ২৬টিই বহাল আছে।
জব সলুশন