বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি রপ্তানী করে —
বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে যুক্তরাষ্ট্রে।
- যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি গন্তব্য দেশ হিসেবে পরিচিত, যেখানে তৈরি পোশাকসহ বিভিন্ন পণ্যের রপ্তানি সবচেয়ে বেশি হয়।
- ২০২৫ সালের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানির বড় অংশই যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে যায়, যা দেশের রপ্তানি আয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎস।
Related Questions
বহুব্রীহি সমাস - দশানন।
যে সমাসে সমস্যমান পদগুলোর কোনোটির অর্থ না বুঝিয়ে, অন্য কোনো পদকে বোঝায়, তাকে বহুব্রীহি সমাস বলে।
যেমন: বহু ব্রীহি (ধান) আছে যার = বহুব্রীহি। এখানের 'বহু' কিংবা 'ধান' কোনোটিরই অর্থের প্রাধান্য নেই, যার বহু ধান আছে এমন লোককে বোঝাচ্ছে।
বহুব্রীহি সমাসে সাধারণত যার, যাতে ইত্যাদি শব্দ ব্যাসবাক্যরূপে ব্যবহৃত হয়।
বাল্মীকি বানানটি সম্পূর্ণ শুদ্ধ।
কিছু গুরুত্বপূর্ণ শুদ্ধ বানান:
- আনুষঙ্গিক,
- দেদীপ্যমান,
- অন্তঃসার,
- বয়ঃসন্ধি,
- মনঃক্ষুণ্ণ,
- সমীচীন,
- সূচ্যগ্ৰ
- স্বায়ত্তশাসন
- ত্রিভুজ
- প্রোজ্জ্বল
- মনীষী,
- শুশ্রূষা,
- মুমূর্ষু,
- মূর্ধন্য,
- অতিথি,
- নিরীক্ষণ,
- বাল্মীকি,
- কৃষিজীবী,
- গোধূলি।
পাশাপাশি দুটি বর্ণ বা ধ্বনির মিলনকে সন্ধি বলে।
সন্ধি বাংলা ব্যাকরণে শব্দগঠনের একটি মাধ্যম। এর অর্থ মিলন। অর্থাত্ দুটি শব্দ মিলিয়ে একটি শব্দে পরিণত হওয়াকে বা পরস্পর সন্নিহিত দু' বর্ণের মিলনকে সন্ধি বলে।
সন্ধি মোটাদাগে দু'প্রকার। ১)বাংলা শব্দের সন্ধি। এটা দুই প্রকার;যথাঃ ১.স্বরসন্ধি ২.ব্যঞ্জনসন্ধি। ২) সংস্কৃত শব্দের সন্ধি। এটা তিন প্রকার; যথাঃ ১.স্বরসন্ধি, ২.ব্যঞ্জন সন্ধি এবং ৩.বিসর্গ সন্ধি।
বর্তমানে বাংলাদেশে চালুকৃত সরকারী ইপিজেডের সংখ্যা ৮টি ও বেসকারি-২টি ( রাঙ্গউনিয়া, চট্টগ্রাম,এবং কোরিয়ান EPZ)।
এগুলো হলো-
১।আদমজী ইপিজেড, সিদ্ধিরগঞ্জ, নারায়নগঞ্জ।
২।চট্টগ্রাম ইপিজেড, দক্ষিন হালিশহর, চট্টগ্রাম।
৩।কুমিল-ইপিজেড ।
৪।ঢাকা ইপিজেড, সাভার, ঢাকা।
৫।ঈশ্বরদ্বী ইপিজেড, ঈশ্বরদ্বী, পাবনা।
৬।কর্ণফুলি ইপিজেড, উত্তর পতেঙ্গা, চট্টগ্রাম ।
৭।মংলা ইপিজেড, মংলা, বাগেরহাট।
৮।উত্তরা ইপিজেড, সোনারায়, নীলফামারী
৯। ৯ম ইপিজেট পটুয়াখালী।
১০। সর্বশেষ ১০ম ইপিজেট যশোর।
'ছায়া হরিণ' কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা আহসান হাবীব।
আহসান হাবীব (২ জানুয়ারি ১৯১৭ - ১০ জুলাই ১৯৮৫) একজন খ্যাতিমান বাংলাদেশি কবি ও সাহিত্যিক। দীর্ঘ দিন দৈনিক বাংলা পত্রিকার সাহিত্য সম্পাদক পদের দায়িত্ব পালন সূত্রে তিনি স্বাধীনতা - উত্তর বাংলাদেশের সাহিত্য অঙ্গনে অভিভাবকের ভূমিকা রেখেছেন। তার কিছু কাব্যগ্রন্থ হল :
রাত্রিশেষ (১৯৪৭), ছায়াহরিণ (১৯৬২), সারা দুপুর (১৯৬৪), আশায় বসতি (১৯৭৪), মেঘ বলে চৈত্রে যাবো (১৯৭৬), দু'হাতে দুই আদিম পাথর (১৯৮০), প্রেমের কবিতা (১৯৮১)।
'হাজার বছর ধরে ' রচনাটি জহির রায়হান।
হাজার বছর ধরে প্রখ্যাত বাংলাদেশী ঔপন্যাসিক ও চলচ্চিত্রকার জহির রায়হান রচিত একটি কালজয়ী সামাজিক উপন্যাস। ১৯৬৪ সালে এ উপন্যাসটির জন্য তিনি আদমজী পুরষ্কারে সম্মানিত হন।
জব সলুশন