তাহরির স্কোয়ার কোথায় অবস্থিত?
তাহরির স্কয়ার মিশরের রাজধানী কায়রোতে অবস্থিত।
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
- আরবিতে একে বলা হয় 'ময়দান আল তাহরির' এবং ইংরেজিতে 'লিবারেশন স্কয়ার' (Liberation Square)।
- জায়গাটির পূর্বনাম ছিল 'ইসমাইলিয়া ময়দান'।
- মিশরের সাবেক প্রেসিডেন্ট হোসনি মোবারকের পদত্যাগের দাবিতে দেশজুড়ে হওয়া ঐতিহাসিক গণবিক্ষোভের মূল কেন্দ্রবিন্দু ছিল এই স্কয়ার।
Related Questions
উত্তর আফ্রিকার দেশ তিউনিসিয়া থেকে আরব বসন্তের সূচনা হয়। ২০১০ সালের ১৭ ডিসেম্বর তিউনিসিয়ার এক তরুণ ফল বিক্রেতা, মোহাম্মদ বোয়াজিজি, বেকারত্ব, অর্থনৈতিক সংকট এবং পুলিশি দুর্নীতির প্রতিবাদে নিজের গায়ে আগুন দিয়ে আত্মাহুতি দেন। তার এই আত্মত্যাগের মধ্য দিয়েই তিউনিসিয়ায় স্বৈরশাসন বিরোধী গণআন্দোলন শুরু হয়, যা পরবর্তীতে মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকার অন্যান্য দেশে ছড়িয়ে পড়ে।
১৯৭৮ সালে মিসর ও ইসরায়েলের মধ্যে ঐতিহাসিক ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি (Camp David Accords) সম্পাদিত হয়েছিল। এই চুক্তিতে মধ্যস্থতা করেছিলেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টার এবং স্বাক্ষর করেছিলেন মিসরের প্রেসিডেন্ট আনোয়ার সাদাত ও ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী মেনাচেম বেগিন।
"I am the Revolution" (আমিই বিপ্লব) বিখ্যাত এই উক্তিটি করেছিলেন ফরাসি সম্রাট নেপোলিয়ান বোনাপার্ট।
জনসাধারণই সার্বভৌম ক্ষমতার অধিকারী’ উক্তিটি করেছেন বিখ্যাত ফরাসি দার্শনিক জ্যাঁ জ্যাক রুশো (Jean-Jacques Rousseau)।
- তাঁর রচিত বিখ্যাত গ্রন্থ ‘দ্য সোশ্যাল কন্ট্রাক্ট’ (The Social Contract)-এ তিনি এই মতবাদটি প্রকাশ করেন।
- রুশোর মতে, রাষ্ট্র বা সমাজ গঠনের মূলে রয়েছে জনগণের সম্মতি বা ‘সামাজিক চুক্তি’।
- তিনি বিশ্বাস করতেন, প্রকৃত ক্ষমতার উৎস কোনো রাজা বা শাসক নন, বরং সাধারণ জনগণ।
- রুশোর এই ‘গণসার্বভৌমত্ব’ বা ‘Popular Sovereignty’-র ধারণাটি ফরাসি বিপ্লব এবং আধুনিক গণতন্ত্রের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।
'কাইজার' (Kaiser) বলা হয় জার্মানি এবং অস্ট্রিয়া-র সম্রাট বা রাজাদের। এটি মূলত রোমান সম্রাট জুলিয়াস সিজারের নাম থেকে এসেছে, যার অর্থ 'সম্রাট'।
ফ্যাসিজম বা ফ্যাসিবাদের প্রবর্তক হলেন ইতালীয় একনায়ক বেনিতো মুসোলিনি। তিনি ১৯১৯ সালে ইতালিতে ফ্যাসিস্ট পার্টি গঠন করেন এবং ১৯২২ থেকে ১৯৪৩ সাল পর্যন্ত দেশটিতে একচ্ছত্র আধিপত্য ও ফ্যাসিবাদের শাসন প্রতিষ্ঠা করেন।
জব সলুশন