প্রধান বীজ উৎপাদনকারী সরকারি প্রতিষ্ঠা —
বাংলাদেশের প্রধান বীজ উৎপাদনকারী সরকারি প্রতিষ্ঠান হলো BADC (বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন)। এটি কৃষিমন্ত্রণালয়ের অধীনে কাজ করে এবং কৃষকদের মাঝে মানসম্মত বীজ সরবরাহ করে।
Related Questions
বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি উৎপাদিত ধান হলো বোরো ধান।
- এটি শীতকালীন মৌসুমে চাষ করা হয় এবং সেচনির্ভর হওয়ায় এর উৎপাদনশীলতা অন্যান্য ধানের তুলনায় বেশি।
- বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা অনুযায়ী, আমন ও আউশ ধানের তুলনায় বোরো ধানের উৎপাদন পরিমাণ অনেক বেশি।
- বোরো ধানের চাষ সাধারণত নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি মাসে শুরু হয় এবং এপ্রিল থেকে জুন মাসে ফসল কাটা হয়।
- উচ্চ ফলনশীল জাত (HYV) এবং হাইব্রিড জাতের ব্যবহার বোরো ধানের উৎপাদন বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।
ডায়মন্ড। এছাড়া বাংলাদেশে চাষ করা হয় এমন আরও কিছু পরিচিত আলুর জাত হলো কার্ডিনাল, সান্তানা ও অ্যাসটারিক্স।
বাংলায় নবাবী শাসনামলের প্রতিষ্ঠাতা হলেন মুর্শিদকুলি খান।
- তিনি ১৭০০ সালে বাংলার দিউয়ান হিসেবে নিযুক্ত হন এবং ১৭১৬ সালে নাজিম (সুবাদার) নিযুক্ত হন।
- মুঘল সাম্রাজ্যের শেষ দিকে তিনি স্বাধীনভাবে বাংলা শাসন করতে শুরু করেন।
- এর মাধ্যমে বাংলায় নবাবী শাসনামলের সূচনা হয়।
ঐতিহাসিক ৬–দফাকে ব্রিটিশ শাসনতন্ত্রের ঐতিহাসিক দলিল ম্যাগনা কার্টা (Magna Carta) এবং বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ-এর সাথে তুলনা করা হয়। ১৯৬৬ সালের ৫ ও ৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে বিরোধী দলগুলোর কনফারেন্সে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এই ৬ দফা দাবি পেশ করেন, যা পূর্ব পাকিস্তানের স্বায়ত্তশাসন ও অধিকার আদায়ের আন্দোলনের ভিত্তি স্থাপন করে।
১৯৫৪ সালের পূর্ব পাকিস্তান প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচনে যুক্তফ্রন্টের প্রতীক ছিল নৌকা।
বিট্রিশ শাসনামলে বাংলা, বিহার, উড়িষ্যা, মধ্য প্রদেশ ও আসামের কিছু অংশ নিয়ে গঠিত হয়েছিল বাংলা প্রদেশ বা বাংলা প্রেসিডেন্সি।
- এর আয়তন বড় হওয়ায় ১৯০৩ সালে বঙ্গভঙ্গের পরিকল্পনা গৃহীত হয়।
- ১৯০৪ সালে ভারত সচিব এটি অনুমোদন করেন এবং ১৯০৫ সালের জুলাই মাসে বঙ্গভঙ্গের পরিকল্পনা প্রকাশিত হয়।
- এ পরিকল্পনায় ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, আসাম, জলপাইগুড়ি, পার্বত্য ত্রিপুরা ও মালদহ নিয়ে গঠিত হয় পূর্ব বাংলা ও আসাম নামে নতুন প্রদেশ।
- এ প্রদেশ গঠনকালে ব্রিটিশ ভারতের গভর্নর জেনারেল ও ভাইসরয় ছিলেন লর্ড কার্জন।
- বঙ্গভঙ্গ রদের সময় গভর্নর ছিলেন লর্ড হার্ডিঞ্জ।
জব সলুশন