কাঁদুনে গ্যাসের অপর নাম কী?
- কাঁদুনে গ্যাসের অপর নাম ক্লোরোপিক্রিন।
- অশ্রু উৎপাদক বলে একে কাঁদুনে গ্যাস বলা হয়।
- এর রাসায়নিক নাম হলো নাইট্রোক্লোরোফরম।
- ক্লোরোফর্মের সাথে গাঢ় নাইট্রিক এসিডের বিক্রিয়ায় ক্লোরোপিক্রিন উৎপন্ন হয়।
Related Questions
- স্ট্রাটোমন্ডল স্তর পৃথিবীর ভূমির উপর ১৩ কিমি থেকে শুরু করে প্রায় ৫০ কিমি পর্যন্ত বিস্তৃত। এই স্তরে রয়েছে ওজন নামের একটি গ্যাস।
- অক্সিজেনের তিনটি পরমাণু একসাথে মিলিত হবার ফলে এই ওজোন স্তর গঠিত হয়। এই মিলিত তিন পরমাণুর অক্সিজেন অথবা ওজোন গ্যাস অথবা ওজোন স্তর সূর্য থেকে নির্গত ক্ষতিকর অতি বেগুনী রশ্মি অথবা সৌর বিকিরন শোষণ করে তা থেকে আমাদের রক্ষা করে।
- বিভিন্ন ক্ষতিকারক রাসায়নিক পদার্থের নিঃসরণ বৃদ্ধি পাওয়ায় এ স্তরের পুরুত্ব কমে আসে।
- ওজনস্তরের ক্ষতি ঠেকাতে তাই মন্ট্রিয়াল প্রটোকল গৃহিত হয়।
- বায়ুমণ্ডলে ওজোনের প্রায় ৯০ শতাংশ স্ট্রাটোস্ফিয়ারের মধ্যে পাওয়া যায়।
- ওজন গ্যাসের ঘনত্ব মাপা হয় DU(ডবসন ইউনিট )-এ | বিজ্ঞানী ডবসন আবিষ্কৃত স্পেক্ট্রোফটোমেটের এর সাহায্যে এই ঘনত্ব পরিমাপ করা হয়
- পাথফাইন্ডার নামে মঙ্গল অভিযানটি নাসা যে কয়টি মহাকাশযানকে মঙ্গলে পাঠানোর পরিকল্পনা করেছিল, তার একটি।
- পাথফাইন্ডার মহাকাশযানটি ১৯৯৬ সালের ডিসেম্বরে রওনা দেয় এবং ১৯৯৭ সালের জুলাইতে মঙ্গলে পৌঁছায়।
- এটা আগে থেকে ঠিক করে দেওয়া জায়গাতেই নামে।
- আগের ভাইকিং-এর সঙ্গে এর তফাৎ হল, এতে সোজর্নার নামে একটি চলমান রোবট ছিল।
- COD (Chemical Oxygen Demand) এবং BOD (Biological Oxygen Demand) উভয়ই পানির দূষণের পরিমাপের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- COD হলো রাসায়নিক অক্সিজেন চাহিদা, যা পানিতে উপস্থিত মোট জৈব ও অজৈব অপদ্রব্যকে জারিত করতে প্রয়োজনীয় অক্সিজেনের পরিমাণ।
- BOD হলো জৈব রাসায়নিক অক্সিজেন চাহিদা, যা পানিতে উপস্থিত জৈব অপদ্রব্যকে অণুজীব দ্বারা বিয়োজিত করতে প্রয়োজনীয় অক্সিজেনের পরিমাণ।
- নদীর পানিতে সাধারণত বিভিন্ন ধরনের জৈব ও অজৈব অপদ্রব্য থাকে।
- COD পরীক্ষায় এই সকল অপদ্রব্যই জারিত হয়, কিন্তু BOD পরীক্ষায় শুধুমাত্র জৈব অপদ্রব্য জারিত হয়।
- তাই নদীর পানিতে COD এর মান BOD এর মান অপেক্ষা বেশি হয়।
- সুতরাং, নদীর পানির ক্ষেত্রে COD > BOD সত্য।
লোহিত রক্তকণিকা (Red Blood Cell বা RBC) দেহের অস্থিমজ্জায় (Bone marrow) উৎপন্ন হয় এবং প্রায় ১২০ দিন পর্যন্ত জীবিত থাকে। এরপর এগুলো প্লীহা (Spleen) ও যকৃতে (Liver) ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়।
লোহিত রক্তকণিকার বৈশিষ্ট্য:
- পরিণত লোহিত রক্তকণিকায় নিউক্লিয়াস অনুপস্থিত।
- এরা দ্বি-অবতল চাকতির মতো (biconcave disc-shaped)।
- এর ভেতরে হিমোগ্লোবিন থাকে, যা অক্সিজেন পরিবহনে সহায়তা করে।
- এদের সংখ্যা শ্বেত রক্তকণিকার তুলনায় অনেক বেশি।
- গড় আয়ু ১২০ দিন।
আলবার্ট আইনস্টাইন ১৯২১ সালের পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন । তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানে অবদান এবং বিশেষ করে আলোক তড়িৎ ক্রিয়া (Photoelectric Effect)-এর নিয়ম আবিষ্কার ও ব্যাখ্যা প্রদানের জন্যই তাকে এই সম্মান দেওয়া হয়,যা তিনি ১৯০৫ সালে প্রকাশ করেছিলেন ।
গ্রাফিন (Graphene) হলো কার্বন মৌলের একটি বহুরূপ বা রূপভেদ। এটি গ্রাফাইট থেকে প্রাপ্ত মাত্র এক পরমাণু পুরু দ্বি-মাত্রিক কার্বন জালের একটি স্তর।
জব সলুশন