ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল কোন দেশ ভিত্তিক আন্তর্জাতিক সংস্থা?
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল হলো জার্মানি ভিত্তিক একটি আন্তর্জাতিক বেসরকারি সংস্থা, যার সদর দপ্তর জার্মানির বার্লিন শহরে অবস্থিত। এটি বিশ্বব্যাপী দুর্নীতি বিরোধী আন্দোলন ও সচেতনতা নিয়ে কাজ করে। সংস্থাটি গঠিত হয় ১৯৯৩ সালে।
Related Questions
ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন লাভের জন্য ন্যূনতম ১৯৯১ জন প্রতিনিধির সমর্থন প্রয়োজন।
জাতিসংঘের বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO - World Health Organization) ২০২০ সালের ১১ মার্চ করোনা ভাইরাস (COVID-19) প্রাদুর্ভাবকে 'Pandemic' বা বিশ্ব মহামারী হিসেবে ঘোষণা করেছিল।
- IMF এর পূর্ণরূপ — International Monetary Fund.
- এটি প্রতিষ্ঠা করা হয় ১৯৪৪ সালের ১-২২ জুলাই যুক্তরাষ্ট্রের নিউ হ্যাম্পশায়ারের ব্রেটন উডসের মাউস ওয়াশিংটন হোটেলে অনুষ্ঠিত ৪৫টি দেশের প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণে গৃহীত চুক্তির মাধ্যেমে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হয় ২৭ ডিসেম্বর ১৯৪৫।
- এর কার্যক্রম শুরু করে ১ মার্চ ১৯৪৭।
- প্রথম ঋণ প্রদান করে ৮ মে, ১৯৪৭।
- নিয়ন্ত্রক সংস্থা ECOSOC.
- এর দাপ্তরিক ভাষা- ইংরেজি, ফরাসি, স্প্যানিশ।
- জাতিসংঘের বিশেষ সংস্থার মর্যাদা লাভ করে – ১৫ নভেম্বর ১৯৪৭।
- সদর দপ্তর অবস্থিত— ওয়াশিংটন ডিসি, যুক্তরাষ্ট্র।
- বর্তমান সদস্য ১৯১টি। ১৯১ তম সদস্য দেশ – লিচেনস্টাইন (Liechtenstein)। (২১ অক্টোবর, ২০২৪)
- বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক ক্রিস্টালিনা জর্জিয়েভা।
- বাংলাদেশ ১৯৭২ সালে IMF এর সদস্যপদ লাভ করে।
- IMF এর প্রধান কাজ হলো আন্তর্জাতিক মুদ্রা ব্যবস্থার স্থিতিশীলতা রক্ষা করা।
ব্রিটিশ ভারতের রাজধানী কলকাতা থেকে দিল্লীতে স্থানান্তরিত হয় ১৯১২ সালে। আর কলকাতা থেকে বর্তমান রাজধানী দিল্লীকে রাজধানী হিসেবে ঘোষণা দেন রাজা পঞ্চম জর্জ। তিনি ১৯১২ সালে দিল্লিতে সেক্রেটারিয়েট ভবনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের মাধ্যমে ১৯১২ সালে দিল্লী হিসেবে কার্যক্রম শুরু করে।
২০১৯ সালে ইথিওপিয়া প্রধানমন্ত্রী আবি আহমেদ আলি শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। তিনি ইথিওপিয়া ও ইরিত্রিয়ার দীর্ঘ দিনের সীমান্ত বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য এই সম্মাননা লাভ করেন।
আন্তর্জাতিক বিচার আদালত রোহিঙ্গা গণহত্যা অন্তর্বর্তীকালীন রায়ে মিয়ানমারকে ৪টি নির্দিষ্ট ব্যবস্থা গ্রহণের কথা বলেছে। এগুলো হলোঃ
০১. রাখাইনে বসবাসরত সাড়ে ছয়লাখ রোহিঙ্গা মুসলিমকে সুরক্ষা প্রদান করতে হবে।
০২. মিয়ানমার সেনাবাহিনীর লাগাম টেনে ধরতে হবে।
০৩. রোহিঙ্গা গণহত্যা সংক্রান্ত সকল তথ্য সংরক্ষণ
০৪. রোহিঙ্গাদের সুরক্ষায় কি ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে প্রতি ৬ মাস অন্তর অন্তর সেই সংক্রান্ত প্রতিবেদনগুলো ICJ (International Court of Justice) এ জমা দিতে হবে।
জব সলুশন