অহিনকুল (অহি ও নকুল) কোন সমাস?

ক) কর্মধারয়
খ) বহুব্রীহি
গ) দ্বিগু
ঘ) দ্বন্দ্ব
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:

যে সমাসে প্রতিটি সমস্যমান পদের অর্থের সমান প্রাধান্য থাকে এবং ব্যাসবাক্যে একটি সংযোজক অব্যয় (কখনো বিয়োজক) দ্বারা যুক্ত থাকে, তাকে দ্বন্দ্ব সমাস বলে। যেমন: তাল ও তমাল = তাল - তমাল, দোয়াত ও কলম = দোয়াত - কলম। এখানে তাল ও তমাল এবং দোয়াত ও কলম - প্রতিটি পদেরই অর্থের প্রাধান্য সমস্ত পদে রক্ষিত হয়েছে।

দ্বন্দ্ব জন্য ব্যাসবাক্যে এবং, ও, আর - এই অব্যয় পদগুলো ব্যবহৃত হয়। যেমন: মাতা ও পিতা = মাতা - পিতা, অহি ও নকুল = অহিনকুল।

Related Questions

ক) কর্মধারয়
খ) তৎপুরুষ
গ) বহুব্রীহি
ঘ) অব্যয়ীভাব
Note :

পাপমুক্ত এর সঠিক ব্যাসবাক্য হলোঃ পাপ হতে মুক্ত। যা তৃতীয়া তৎপুরুষ সমাসকে নির্দেশ করে।

ক) কর্তৃকারকে শূন্য
খ) কর্তৃকারকে দ্বিতীয়া
গ) কর্মকারকে শূন্য
ঘ) অপাদান কারকে শূন্য
Note :

ডাক্তার ডাকো। প্রদত্ত বাক্যে ডাক্তার কর্মকারকে শূণ্য। কারণ,

যাকে আশ্রয় করে কর্তা ক্রিয়া সম্পন্ন করে, তাকে কর্মকারক বলে। বাক্যের ক্রিয়াকে "কী/ কাকে" দিয়ে প্রশ্ন করলে কর্মকারক পাওয়া যায়। এখানে কী বা কাকে দিয়ে প্রশ্ন করলে উত্তর পাওয়া যায় ডাক্তার। তাই কর্মকারক - ডাক্তার এবং কোন বিভক্তি যুক্ত নাই বলে শূণ্য বিভক্তি। তাই সঠিক উত্তর : কর্মকারকে শূণ্য।

ক) কর্তৃকারকে পঞ্চমী
খ) কর্তৃকারকে সপ্তমী
গ) কর্মকারকে পঞ্চমী
ঘ) কর্মকারকে সপ্তমী
Note :

ক্রিয়ার সঙ্গে 'কে' বা 'কারা' যোগ করে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, তাই কর্তৃকারক। বাক্যটিতে 'বুলবুলি' কর্তা হিসেবে খাওয়া কাজটি সম্পাদন করা তা কর্তৃকারক এবং শব্দের শেষে 'তে' থাকায় তা সপ্তমী বিভক্তি।

ক) মামুনুর রশীদ
খ) সৈয়দ শামসুল হক
গ) জিয়া হায়দার
ঘ) মুনীর চৌধুরী
Note :

সৈয়দ শামসুল হকের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক কাব্যনাট্য পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়' (১৯৭৬)। এর রচনাকাল ১ মে থেকে ১৩ জুন, ১৯৭৫ খ্রিষ্টাব্দে লন্ডনের হ্যাম্পস্টেড শহরে।
মহান স্বাধীনতা যুদ্ধ শেষে মুক্তিবাহিনীর গ্রামে প্রবেশের ঘটনা এ নাটকে স্থান পেয়েছে।

তাঁর রচিত অন্যান্য নাটক: ‘
- নূরলদীনের সারা জীবন (১৯৮২),
- ‘গণনায়ক’ (১৯৭৬),
- ‘এখানে এখন’ (১৯৮৮),
- ‘ঈর্ষা ।

ক) ছোট গল্প
খ) নাটক
গ) উপন্যাস
ঘ) ভ্রমণ কাহিনী
Note :

'শ্রীকান্ত' হলো কথাসাহিত্যিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের রচিত একটি বিখ্যাত আত্মজীবনীমূলক বা জীবনচরিতমূলক উপন্যাস। ১৯১৭ থেকে ১৯৩৩ সালের মধ্যে মোট চার খণ্ডে প্রকাশিত এই উপন্যাসটিকে বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সাহিত্যকর্ম ও লেখকের মাস্টারপিস হিসেবে গণ্য করা হয়।

ক) মাইকেল মধুসূদন দত্ত
খ) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
গ) নবীনচন্দ্র সেন
ঘ) কাজী নজরুল ইসলাম
Note :

মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের অমর সৃষ্টি 'বঙ্গভাষা' কবিতার অংশ।

জব সলুশন

যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর-উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা (16-10-2026)

সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়-উপ-সহকারী প্রকৌশলী 15-10-2026

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়- ব্যক্তিগত কর্মকর্তা 14-10-2026

যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর-উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা (স্থগিত) 10-10-2026

সামরিক ভূমি ও ক্যান্টনমেন্ট অধিদপ্তর-জুনিয়র শিক্ষক 03-10-2026

ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর- যাচ মোহরার 02-10-2026

Job Solution Live Exam Recent Job Solution 2026

আমাদের মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন

যেকোনো সময়, যেকোনো জায়গা থেকে শিখুন