'বিষাদ-সিন্ধু' কার রচনা?
ক) কায়কোবাদ
খ) ইসমাইল হোসেন সিরাজী
গ) মীর মশাররফ হোসেন
ঘ) মোজাম্মেল হক
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
বিষাদ-সিন্ধু মীর মশাররফ হোসেনের সর্বশ্রেষ্ঠ ও কালজয়ী রচনা। মহররমের করুণ কাহিনী অবলম্বনে এটি রচিত এবং মুসলিম হৃদয়ে এর গভীর প্রভাব রয়েছে।
Related Questions
ক) রত্নবতী
খ) বসন্তকুমারী
গ) জমিদার দর্পণ
ঘ) বিষাদ-সিন্ধু
Note : মীর মশাররফ হোসেনের প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ হলো 'রত্নবতী' যা ১৮৬৯ সালে প্রকাশিত হয়। এটি মূলত একটি উপাখ্যানমূলক গদ্য রচনা বা উপন্যাস।
ক) প্রবন্ধ গ্রন্থ
খ) সাহিত্যরস সমৃদ্ধ গ্রন্থ
গ) ভ্রমণকাহিনী
ঘ) কাব্যগ্রন্থ
Note : তিনি বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী ছিলেন এবং তার রচনাশৈলী ছিল অত্যন্ত মানসম্পন্ন ও সাহিত্যরস সমৃদ্ধ। বিশেষ করে তার গদ্যরীতি তৎকালীন সময়ে অত্যন্ত জনপ্রিয় ও আধুনিক ছিল।
ক) ফররুখ আহমদ
খ) মীর মশাররফ হোসেন
গ) প্রমথ চৌধুরী
ঘ) শেখ ফজলল করিম
Note : মীর মশাররফ হোসেন তার সাহিত্যিক জীবনের শুরুর দিকে কাঙাল হরিনাথ মজুমদার সম্পাদিত 'গ্রামবার্তা প্রকাশিকা' পত্রিকায় মফস্বল সংবাদদাতা হিসেবে দায়িত্ব পালন করতেন।
ক) মোতাহের হোসেন
খ) ইসমাইল হোসেন সিরাজী
গ) মীর মশাররফ হোসেন
ঘ) ফররুখ আহমদ
Note : ১৮৬৯ সালে 'রত্নবতী' উপন্যাস রচনার মাধ্যমে মীর মশাররফ হোসেন বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুসলিম ঔপন্যাসিক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন। এটি বাংলা সাহিত্যের এক ঐতিহাসিক মাইলফলক।
ক) গোলাম মোস্তফা
খ) কাজী নজরুল ইসলাম
গ) কায়কোবাদ
ঘ) মীর মশাররফ হোসেন
Note : মীর মশাররফ হোসেন আধুনিক যুগের প্রথম মুসলিম সাহিত্যিক যিনি গদ্য ও পদ্য উভয় শাখায় সমান পারদর্শিতা দেখিয়ে মুসলিম সমাজকে সাহিত্যের ধারায় যুক্ত করেছিলেন।
ক) মীর মোশাররফ হোসেন
খ) মীর মশারফ হোসেন
গ) মীর মশাররফ হোসেন
ঘ) মীর মোশারফ হোসেন
Note : লেখকের নামের সঠিক ও প্রমিত বানান হলো 'মীর মশাররফ হোসেন'। অন্য অপশনগুলোতে বানানের বিচ্যুতি রয়েছে।
জব সলুশন