কোন গাছের ছাল থেকে রং প্রস্তুত করা হয়?
ক) গরান
খ) শিমুল
গ) কদম
ঘ) গেওয়া
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
গরান গাছের ছাল বা বাকল থেকে লালচে রঙের ট্যানিন পাওয়া যায় যা মাছ ধরার জাল ও চামড়ার ট্যানিং-এ রং করতে ব্যবহৃত হয়।
Related Questions
ক) গরান
খ) নল খাগড়া
গ) ধুন্দুল
ঘ) গেওয়া
Note : ধুন্দুল কাঠ হালকা ও নরম হওয়ায় এটি পেন্সিল তৈরির কাজে ব্যবহৃত হয়।
ক) গেওয়া
খ) গরান
গ) ধুন্দল
ঘ) বট
Note : গেওয়া কাঠের কাঠিন্য কম ও হালকা হওয়ার কারণে এটি দিয়াশলাই কাঠি তৈরির জন্য ব্যবহৃত হয়।
ক) খেজুর পাম
খ) সাগু পাম
গ) নিপা পাম
ঘ) তাল পাম
Note : নিপা পাম (Nypa fruticans) বা গোলপাতা হলো ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চলের একটি বৈশিষ্ট্যপূর্ণ উদ্ভিদ।
ক) হুদোবন
খ) চাঁদাগাই
গ) বাদাবন
ঘ) বাইনবন
Note : 'সুন্দরবন' এর অপর নাম হিসেবে অনেক সময় বাদাবন শব্দটি ব্যবহার করা হয় যার অর্থ বাঘের বন বা বনাঞ্চল।
ক) এক প্রকার হরিণ
খ) এক প্রকার বাঘ
গ) এক প্রকার গাছ
ঘ) এক প্রকার ঘাস
Note : সুন্দরবনের প্রধান বৃক্ষ হলো সুন্দরী গাছ। এই গাছের নামানুসারেই এই বনাঞ্চলের নাম 'সুন্দরবন' হয়েছে।
ক) গড়ান
খ) গামার
গ) বাইন
ঘ) পশুর
Note : গড়ান বাইন পশুর সবই সুন্দরবনের উদ্ভিদ। কিন্তু গামার সাধারণত সমতল ভূমির গাছ এটি সুন্দরবনে পাওয়া যায় না।
জব সলুশন