মানুষের শ্রাব্যতার সীমা কত?
ক) 20MHz - 20000 MHz
খ) 20Hz - 20000Hz
গ) 10MHz - 10000 MHz
ঘ) 20Hz - 2000Hz
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
সুস্থ স্বাভাবিক মানুষের কান ২০ হার্টজ থেকে ২০,০০০ হার্টজ কম্পাঙ্কের মধ্যবর্তী শব্দ শুনতে পায়। একে শ্রাব্যতার পাল্লা বা Audible Range বলে।
Related Questions
ক) শব্দ তরঙ্গ
খ) আলোক তরঙ্গ
গ) শব্দোত্তর তরঙ্গ
ঘ) শবেতর তরঙ্গ
Note : চিকিৎসাবিজ্ঞানে আল্ট্রাসনোগ্রাফি এবং ফিজিওথেরাপিতে শব্দোত্তর তরঙ্গ বা Ultrasonic Wave ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
ক) নতুন ধরনের এক্সরে
খ) ছোট তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের শব্দের দ্বারা ইমেজিং
গ) শরীরের অভ্যন্তরের শব্দ বিশ্লেষণ
ঘ) শক্তিশালী শব্দ দিয়ে পিত্ত পাথর বিচূর্ণীকরণ
Note : উচ্চ কম্পাঙ্কের (ফলে ছোট তরঙ্গদৈর্ঘ্যের) শব্দ তরঙ্গ ব্যবহার করে শরীরের অভ্যন্তরীণ অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের ছবি তোলার পদ্ধতি হলো আল্ট্রাসনোগ্রাফি।
ক) এক টুকরো কাচ
খ) রেডিয়োর লাউড স্পিকার
গ) কোয়ার্টজ ক্রিস্টাল অসিলেটর
ঘ) গাড়ির হর্ন
Note : পিজো-ইলেকট্রিক ইফেক্ট ব্যবহার করে কোয়ার্টজ ক্রিস্টাল অসিলেটরের মাধ্যমে উচ্চ কম্পাঙ্কের আল্ট্রাসনিক তরঙ্গ তৈরি করা হয়।
ক) যার গতি শব্দের গতি থেকে কম
খ) যার গতি শব্দের গতি থেকে বেশি
গ) যে শব্দ সাধারণভাবে মানুষ শুনতে পায়
ঘ) যে শব্দ কোনো কোনো জীবজন্তু শুনতে পায়
Note : আল্ট্রাসনিক শব্দ মানুষ শুনতে পায় না কিন্তু কুকুর বাদুড় বা ডলফিনের মতো প্রাণীরা শুনতে পায় এবং ব্যবহার করতে পারে।
ক) শ্রাব্য শব্দের তরঙ্গ থেকে কম কম্পাঙ্কের তরঙ্গ
খ) শূন্য মাধ্যমে গঠিত তরঙ্গ
গ) শ্রাব্য শব্দের তরঙ্গ থেকে বেশি কম্পাঙ্কের তরঙ্গ
ঘ) কোনোটিই নয়
Note : যে শব্দের কম্পাঙ্ক ২০,০০০ হার্টজ-এর চেয়ে বেশি এবং মানুষ শুনতে পায় না তাকে আল্ট্রাসনিক বা শব্দোত্তর তরঙ্গ বলে।
ক) সমুদ্রের পানির তরঙ্গ
খ) ভূ-পৃষ্ঠের ভূ-কম্পন
গ) বেহালা হতে নিঃসৃত সুরেলা শব্দ তরঙ্গ
ঘ) সূর্য হতে আগত বিদ্যুৎ চুম্বকীয় তরঙ্গ
Note : সূর্য থেকে আসা আলো বা তাপ হলো তাড়িতচৌম্বক তরঙ্গ যা আলোর গতিতে (৩ x ১০^৮ মি/সে) চলে। অন্য সব যান্ত্রিক তরঙ্গ এর চেয়ে অনেক ধীর।
জব সলুশন