আমাদের মস্তিষ্কে শব্দের স্থায়িত্বকাল কত?
ক) ১ সেকেন্ড
খ) ০.১ সেকেন্ড
গ) ০.০১ সেকেন্ড
ঘ) ০.০০১ সেকেন্ড
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
কোনো শব্দ শোনার পর আমাদের মস্তিষ্কে তার রেশ প্রায় ০.১ সেকেন্ড পর্যন্ত স্থায়ী থাকে। একে শ্রাব্যতার স্থায়িত্বকাল বা Persistence of Hearing বলে।
Related Questions
ক) শব্দের চাইতে আলোর গতি বেশি বলে
খ) আসার পথে শব্দের গতি আলোর গতির চেয়ে বেশি বাধা পায় বলে
গ) শব্দের উৎপত্তি কিছু পরে হয় বলে
ঘ) পৃথিবী হইতে আলোর উৎস অনেক নিকটে বলে
Note : আলোর গতি শব্দের গতির চেয়ে অনেক বেশি হওয়ায় বিদ্যুৎ চমকানোর দৃশ্য আমরা তাৎক্ষণিক দেখি কিন্তু শব্দ আসতে সময় লাগে।
ক) শব্দ
খ) আলো
গ) বুলেট
ঘ) জেট বিমান
Note : আলোর গতি সেকেন্ডে ৩ লক্ষ কিলোমিটার (৩ x ১০^৮ মি/সে) যা শব্দ বা অন্য যেকোনো বস্তুর গতির চেয়ে অকল্পনীয়ভাবে বেশি।
ক) কমে
খ) বাড়ে
গ) প্রথমে বাড়ে পরে কমে
ঘ) অপরিবর্তিত থাকে
Note : শব্দের বেগ তাপমাত্রার বর্গমূলের সমানুপাতিক। তাপমাত্রা বাড়লে বাতাসের অণুগুলোর গতিশক্তি বাড়ে এবং ঘনত্ব কমে ফলে শব্দের গতি বৃদ্ধি পায়।
ক) ৭৫৭ মাইল
খ) ১১৫৭ মাইল
গ) ২০৫৭ মাইল
ঘ) ৩৮৫৭ মাইল
Note : বাতাসে শব্দের বেগ ৩৩২ মি/সে। একে মাইল/ঘন্টায় রূপান্তর করলে প্রায় ৭৫০-৭৬০ মাইল হয়। সঠিক হিসাব: ৩৩২ * ৩৬০০ / ১৬০৯ ≈ ৭৪২ মাইল (তাপমাত্রা ভেদে এটি ৭৫৭ ধরা হয়)।
ক) শূন্যতায়
খ) কঠিন পদার্থে
গ) তরল পদার্থে
ঘ) বায়বীয় পদার্থে
Note : প্রদত্ত ভৌত মাধ্যমগুলোর মধ্যে বায়বীয় পদার্থের ঘনত্ব ও স্থিতিস্থাপকতা সবচেয়ে কম তাই এখানে শব্দের গতি সর্বনিম্ন। (শূন্যতায় গতি ০ কিন্তু সেটি মাধ্যম নয়)।
ক) ডুবন্ত অবস্থায় থাকা ব্যক্তি
খ) পানির তীরে দাঁড়ানো ব্যক্তি
গ) ডুবন্ত অবস্থায় কেউ শব্দ শুনতেই পাবে না
ঘ) সকলেই জোরে শব্দ শুনতে পারবে
Note : শব্দ যেখানে উৎপন্ন হয় সেই মাধ্যমেই সবচেয়ে ভালো শোনা যায়। পানি থেকে বায়ুতে শব্দ আসার সময় প্রতিফলিত হয় এবং শক্তি হারায় তাই ডুবন্ত ব্যক্তিই সবচেয়ে জোরে শব্দ শুনবে।
জব সলুশন