কোন মাধ্যমে শব্দ অধিক দ্রুত গতিতে চলে?
ক) পানিতে (Water)
খ) ইস্পাতে (steel)
গ) বাতাসে (Air)
ঘ) বায়ুশূন্য (Vacum) মাধ্যমে
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
ইস্পাত বা স্টিল কঠিন পদার্থ এবং এর স্থিতিস্থাপকতা অনেক বেশি। ইস্পাতে শব্দের বেগ প্রায় ৫০০০-৫২০০ মিটার/সেকেন্ড যা পানি (১৪৫০ মি/সে) বা বাতাসের (৩৩২ মি/সে) তুলনায় অনেক বেশি।
Related Questions
ক) শূন্যতায়
খ) লোহা
গ) পানি
ঘ) বাতাস
Note : প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে লোহা একটি কঠিন পদার্থ। কঠিন পদার্থে অণুগুলোর ঘনত্ব ও স্থিতিস্থাপকতা বেশি হওয়ায় শব্দের বেগ পানি বা বাতাসের চেয়ে এখানে অনেক বেশি হয়।
ক) শূন্য মাধ্যমে
খ) তরল মাধ্যমে
গ) কঠিন মাধ্যমে
ঘ) বায়বীয় মাধ্যমে
Note : শব্দের গতি মাধ্যমের ঘনত্বের ওপর নির্ভর করে। কঠিন মাধ্যমের কণাগুলো পরস্পরের খুব কাছাকাছি থাকায় কম্পন দ্রুত সঞ্চালিত হয় তাই কঠিন মাধ্যমে শব্দের গতি সর্বাধিক।
ক) সেকেন্ড
খ) হার্টস
গ) মিটার
ঘ) মিটার/সে.
Note : কম্পাঙ্ক বা প্রতি সেকেন্ডে কম্পনের সংখ্যা পরিমাপের আন্তর্জাতিক একক হলো হার্টজ (Hz)। সেকেন্ড হলো সময়ের একক এবং মিটার দূরত্বের একক।
ক) জিহ্বা
খ) ঠোঁট
গ) মুখ
ঘ) স্বরযন্ত্র
Note : মানবদেহে স্বরযন্ত্র বা ল্যারিংসে অবস্থিত ভোকাল কর্ডের কম্পনের মাধ্যমে শব্দ উৎপন্ন হয়। ফুসফুস থেকে আসা বাতাস যখন ভোকাল কর্ডকে কাঁপায় তখনই কথা বা শব্দের সৃষ্টি হয়।
ক) বস্তুর কম্পন
খ) বস্তুর তাপমাত্রা
গ) প্রতিধ্বনি
ঘ) শব্দ তরঙ্গ
Note : শব্দ এক প্রকার শক্তি যা বস্তুর কম্পনের ফলে উৎপন্ন হয়। কম্পন ছাড়া শব্দের উৎপত্তি সম্ভব নয় এবং এই যান্ত্রিক তরঙ্গ সঞ্চালনের জন্য জড় মাধ্যমের প্রয়োজন।
ক) বায়ুর ঘর্ষণজনিত বাধা
খ) বলের উপরে ও নিচে অসম চাপ সৃষ্টি
গ) বায়ুতে বলটির ঘূর্ণন গতি
ঘ) খেলোয়াড়ের হাতের কব্জির ক্রিয়া
Note : এটি বার্নোলির নীতি বা ম্যাগনাস প্রভাবের (Magnus Effect) কারণে ঘটে। বলটি ঘোরার সময় এর দুই পাশে বাতাসের চাপের পার্থক্য সৃষ্টি হয় যার ফলে বলটি বেঁকে যায় বা সুইং করে।
জব সলুশন