বস্তুর বেগ দ্বিগুণ হলে উহার-
ক) স্থিতিশক্তি দ্বিগুণ হয়
খ) ভরবেগ দ্বিগুণ হয়
গ) ত্বরণ দ্বিগুণ হয়
ঘ) শক্তি দ্বিগুণ হয়
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
ভরবেগ হলো ভর ও বেগের গুণফল (p=mv)। ভর অপরিবর্তিত রেখে বেগ দ্বিগুণ করলে ভরবেগও দ্বিগুণ হবে। (উল্লেখ্য গতিশক্তি চারগুণ হবে)।
Related Questions
ক) ভারীটির
খ) হালকাটির
গ) গতিবেগ সমান
ঘ) ভারীটি হালকা বস্তুর দ্বিগুণ গতিশক্তি পাবে
Note : গতিশক্তি ও ভরবেগের সম্পর্ক হলো E = p^2 / 2m। যেহেতু ভরবেগ (p) সমান তাই যার ভর (m) কম তার গতিশক্তি বেশি হবে।
ক) বন্দুক লাফিয়ে উঠে
খ) বন্দুক একই ভরবেগে পিছিয়ে আসে
গ) বন্দুক সামনে এগিয়ে যায়
ঘ) বন্দুক আদৌ নড়ে না
Note : ভরবেগের নিত্যতা সূত্র অনুযায়ী গুলির সম্মুখমুখী ভরবেগ এবং বন্দুকের পশ্চাৎমুখী ভরবেগ সমান হয়। তাই বন্দুক একই ভরবেগে পেছনের দিকে ধাক্কা দেয়।
ক) MLT^-2
খ) MLT^-1
গ) MLT^2T
ঘ) ML^2T
Note : ভরবেগ = ভর × বেগ। ভরের মাত্রা M এবং বেগের মাত্রা LT^-1। তাই ভরবেগের মাত্রা সমীকরণ MLT^-1।
ক) কেন্দ্রবিমুখী বলের অভাবে
খ) কেন্দ্রবিমুখী বলের আধিক্য
গ) কেন্দ্রমুখী বলের আধিক্য
ঘ) কেন্দ্রমুখী বলের অভাবে
Note : বাঁক ঘোরার জন্য চাকা ও রাস্তার ঘর্ষণ থেকে প্রয়োজনীয় কেন্দ্রমুখী বলের জোগান না মিললে গাড়িটি জড়তার কারণে স্পর্শক বরাবর ছিটকে যায় বা উল্টে যায়।
ক) যথাযথভাবে হাল ঘুরিয়ে
খ) নদী স্রোতের সুকৌশল ব্যবহারে
গ) পাল ব্যবহার করে
ঘ) গুণ টানার সময় টানটি সামনের দিকে রেখে
Note : গুণ টানলে নৌকা তীরের দিকে সরে আসতে চায়। তাই মাঝির যথাযথভাবে হাল ঘুরিয়ে তীরের দিকের বলটিকে নাকচ করে নৌকাকে মাঝ নদী দিয়ে সোজা পথে চালনা করতে হয়।
ক) ক্রিয়ার বদলে প্রতিক্রিয়াটি ব্যবহৃত হয়
খ) সম্মুখ অভিমুখে বলের উপাংশটিকে কার্যকর রাখা হয়
গ) পালের দড়িতে টানের নিয়ন্ত্রণ বিশেষ দিকে বাতাসকে কার্যকর করে
ঘ) পালের আকৃতিকে সুকৌশলে ব্যবহার করা যায়
Note : বাতাসের বলকে ভেক্টর বিভাজনের মাধ্যমে দুটি উপাংশে ভাগ করা হয়। এর মধ্যে সম্মুখ অভিমুখী উপাংশটি নৌকাকে সামনের দিকে এগিয়ে নেয়।
জব সলুশন