'ওরা কদম আলী' নাটকটির রচয়িতা কে?
‘ওরা কদম আলী’ নাটকটি লিখেছেন মামুনুর রশীদ।
মামুনুর রশীদ (জন্ম ২৯ ফেব্রুয়ারি ১৯৪৮) একজন প্রখ্যাত বাংলাদেশী নাট্যকার, অভিনেতা ও নাট্য পরিচালক। স্বাধীনতা উত্তর বাংলাদেশের মঞ্চ আন্দোলনের পথিকৃত। তার নাট্যকর্মে প্রখর সমাজ সচেতনতা লক্ষনীয়। শ্রেণী সংগ্রাম তার নাটকের এক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়বস্তু।
তার উল্লেখযোগ্য নাটক হচ্ছে: ১৯৭৪ গন্ধর্ব নগরী,
১৯৭৬ ওরা কদম আলী,
১৯৮১ ওরা আছে বলেই,
১৯৮৩ ইবলিশ,
১৯৮৪ এখানে নোঙর,
১৯৮৫ গিনিপিগ,
১৯৮৬ অববাহিকা ।
Related Questions
উৎস + লাস = উল্লাস। এরূপ আরো কয়েকটি সন্ধি বিচ্ছেদ হচ্ছে: উল্লেখ, উল্লেখিত।
মনস্তাপ এর সন্ধি বিচ্ছেদ - মনঃ + তাপ । বিসর্গের পর অঘোষ অল্পপ্রাণ কিংবা মহাপ্রাণ তালব্য ব্যঞ্জন থাকলে বিসর্গের স্থলে তালব্য শিসধ্বনি হয় , অঘোষ অল্পপ্রাণ কিংবা অঘোষ মহাপ্রাণ মূর্ধন্য ব্যঞ্জন থাকলে বিসর্গ স্থলে মূর্ধন্য শিসধ্বনি হয় ,অঘোষ অল্পপ্রাণ কিংবা অঘোষ মহাপ্রাণ দন্ত্য ব্যঞ্জনের স্থলে দন্ত্য শিসধ্বনি হয় ।
- যে সমাসে সমস্যমান পদগুলো নিত্য সমাসবদ্ধ থাকে, ব্যাসবাক্যের দরকার হয় না, তাকেই বলে নিত্য সমাস।
- যেমন: অন্য দেশ = দেশান্তর। পঞ্চ নদীর সমাহার = পঞ্চনদ (দ্বিগু); নেই আদব যার = বেয়াদব (নঞ্ বহুব্রীহি); ভালো ও মন্দ = ভালোমন্দ (দ্বন্দ্ব)।
যে তৎপুরুষ সমাসে পূর্বপদের দ্বিতীয়াদি বিভক্তি লোপ পায় না তাকে অলুক তৎপুরুষ সমাস বলে। মুখে ভাত = মুখেভাত। এটি অলুক তৎপুরুষ সমাস। এ সমাসে পূর্বপদ এর বিভক্তি লোপ পায় না।
কোথায় কোন স্থানে কখন কোন সময়ে কবে কোন বিষয়ে প্রশ্ন করলে তার উত্তরে অধিকরণ কারক পাওয়া যায়। বাক্যটিতে 'প্রভাতে' দ্বারা ক্রিয়া সময় উল্লেখ করা হয়েছে তাই এটি অধিকরণ কারক এবং শব্দটিতে 'তে' থাকায় সপ্তমী বিভক্তি হয়েছে।
" 'আজকে' নগদ কালকে ধার " বাক্যের নিম্নরেখ শব্দটি অধিকরণ কারকে ২য়া বিভক্তি।
ক্রিয়া সম্পাদনের কাল (সময়) এবং আধারকে অধিকরণ কারক বলে।
অধিকরণ কারকে দ্বিতীয়া বিভক্তি হলো যেমন: মন আমার নাচে রে আজিকে।
জব সলুশন