জর্দান ও ইসরাইলের মধ্যে ৪৬ বছরের যুদ্ধাবস্থার আনুষ্ঠানিক অবসানের লক্ষ্যে কবে জর্দানের বাদশাহ হোসেন এবং ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী ইসহাক রাবিন ঐতিহাসিক ঘোষণায় স্বাক্ষর করেন?
জর্ডান ও ইসরাইলের মধ্যে ৪৬ বছরের যুদ্ধাবস্থার আনুষ্ঠানিক অবসানের লক্ষ্যে ২৫ জুলাই ১৯৯৪ তারিখে জর্ডনের বাদশাহ হোসেন এবং ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী আইজাক রাবিন একটি ঐতিহাসিক ঘোষণার স্বাক্ষর করেন।
ঘোষণার সারসংক্ষেপ:
- এই ঘোষণাটি ওয়াশিংটন ডিসিতে স্বাক্ষরিত হয়েছিল।
- এতে উভয় পক্ষ শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল।
- তারা কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন এবং সীমান্ত বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করার সম্মতি জানায়।
- এটি মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রক্রিয়াকে এগিয়ে নিতে সাহায্য করেছিল।
- এটি জর্ডান ও ইসরাইলের মধ্যে দীর্ঘদিনের শত্রুতা দূর করতে সাহায্য করেছিল।
Related Questions
বি - ৫২ এক ধরনের বোমারু বিমান।
* দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধোত্তর ১৯৪৯ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে দুই জার্মানির প্রকাশ ঘটে।
* ১৯৬১ সালে দুই জার্মানিকে বিভক্তকারী দেয়াল নির্মাণ করা হয়।
* সাবেক সোভিয়েত সরকারের আর্থিক সহায়তায় পূর্ব জার্মানি সরকার এ দেয়াল নির্মাণ করে।
* এর উচ্চতা ছিল ১০ ফুট।
* দুই জার্মানির একত্রীকরণের পদক্ষেপ হিসেবে ১৯৮৯ সালে এ দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হয়।
✔শুমেকার-লেভি ৯ ধূমকেতু ছিল ১৯৯২ সালের জুলাই মাসে বিচূর্ণীভূত এবং ১৯৯৪ সালের ১৬ জুলাই মাসে বৃহস্পতির সঙ্গে সংঘৃষ্ট একটি ধূমকেতু।
✔বৃহস্পতির সঙ্গে এই ধূমকেতুর সংঘাতের ঘটনাটিই সৌরজগতের বস্তুগুলির মধ্যে পৃথিবী-বহিঃস্থ সংঘর্ষের প্রথম ঘটনা যেটিকে সরাসরি পর্যবেক্ষণ করা গিয়েছিল ।
১৯৯৪ সালের নববর্ষের দিনে আবদুর রশীদ দোস্তামের নেতৃত্বাধীন বাহিনী আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুল শহর আক্রমণ করে।
১৯৯৩ সালে ডিসেম্বর এ হাবল স্পেস টেলিস্কোপের ত্রুটি সংশোধনের জন্য নভোচারীদের মহাকাশে Endeavour নভোযানে প্রেরণ করা হয়েছিল।
- STS-61 নামে পরিচিত এই অভিযানটি 2 December, 1993 সালে শুরু হয়েছিল এবং 13 December, 1993 সালে শেষ হয়েছিল।
- অভিযানের সময়, নভোচারীরা হাবল স্পেস টেলিস্কোপের প্রধান আয়নার সামনের অপটিক্যাল উপাদানগুলিকে প্রতিস্থাপন করেছিলেন এবং টেলিস্কোপের স্পেসট্রোগ্রাফের জন্য একটি নতুন ক্যামেরা ইনস্টল করেছিলেন।
- এই অভিযানটি হাবল স্পেস টেলিস্কোপের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক ছিল।
- এটি টেলিস্কোপের জীবদ্দশায় উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করেছিল এবং এটিকে আরও স্পষ্ট এবং সুনির্দিষ্ট ছবি তুলতে সক্ষম করেছিল।
রুয়ান্ডার প্যাট্রিয়াটিক ফ্রন্ট সরকার শপথ গ্রহণ করেন ১৯ জুলাই ১৯৯৪।
রুয়ান্ডা আফ্রিফার পূর্ব - মধ্যাংশের একটি রাষ্ট্র। দেশটির সরকারি নাম রুয়ান্ডা প্রজাতন্ত্র। এর রাজধানীর নাম কিগালি।
এদেশে প্রায় ৮০ লাখ লোকের বাস। রুয়ান্ডার চারিদিকে রয়েছে উগান্ডা, বুরুন্ডি, গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্র, এবং তানজানিয়া। এদেশের উর্বর ও পাহাড়ী ভূমির কারণে এর নামকরণ করা হয়েছে হাজার পাহাড়ের দেশ। আফ্রিকা মহাদেশের মধ্যে রুয়ান্ডাতেই জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি। হুটু ও টুটসি উপজাতি জনগোষ্ঠীর এই দেশটি বিংশ শতাব্দীর শেষভাগে ১৯৯৪ সালের ভয়াবহ জাতিগত দাঙ্গা ও গৃহযুদ্ধের কারণে সারা বিশ্বের নজরে আসে।
১৯৯৪ সালে রুয়ান্ডায় হত্যাকান্ড সংঘটিত হয়। এতে আট লাখ নাগরিক নিহত হন। গণহত্যার শিকার অধিকাংশই ছিল সংখ্যালঘু তুতসি সম্প্রদায়ের।
জব সলুশন