বিশ্বের কততম দেশ হিসেবে বাংলাদেশে মেট্রোরেল চালু হয়?

ক) ৫৮তম
খ) ৫৯তম
গ) ১২৯তম
ঘ) ৬০তম

Related Questions

ক) ৬.১৫ কি.মি. ও ১৮.১০ মি.
খ) ৭.২৫ কি.মি. ও ১৮.২০ মি.
গ) ৭.১৫ কি.মি. ও ২০.১০ মি.
ঘ) ৬.০৫ কি.মি. ও ১৮.১০ মি.
Note : পদ্মা সেতুর মোট দৈর্ঘ্য ৬.১৫ কিলোমিটার এবং এর প্রস্থ ১৮.১০ মিটার। এই তথ্যটি সেতুর নির্মাণ সম্পর্কিত মৌলিক জ্ঞান প্রকাশ করে। এই নির্দিষ্ট দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ এটিকে দেশের অন্যতম দীর্ঘতম সেতুতে পরিণত করেছে এবং এর উপরিভাগের ধারণক্ষমতা নির্ধারণ করে।
ক) ৩৪ ও ৩৫
খ) ৩৫ ও ৩৬
গ) ৩৬ ও ৩৭
ঘ) ৩৭ ও ৩৮
Note : পদ্মা সেতুর মতো বিশাল প্রকল্পে স্প্যান বসানো একটি অত্যন্ত সুনির্দিষ্ট প্রকৌশল প্রক্রিয়া। পদ্মা সেতুর প্রথম স্প্যানটি ৩৭ ও ৩৮ নম্বর পিলারের উপর স্থাপন করা হয়েছিল, যা সেতুর নির্মাণকাজের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পর্যায় ছিল। এটি সেতুর নকশা ও প্রকৌশলগত দিক নির্দেশ করে।
ক) ঢাকা শহরকে নদীর ওপারে বিস্তৃত করা
খ) বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে সুসম্পর্কের স্থায়ী বন্ধন সৃষ্টি করা
গ) ঢাকা-আরিচা রোডে যানবাহন চলাচলের চাপ কমানো
ঘ) দেশের দক্ষিণ অঞ্চলের সাথে ঢাকার পরিবহন ব্যবস্থা উন্নত করা
Note : এই সেতুটি নির্মাণ করা হয়েছে মূলত দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সাথে ঢাকার যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি এবং পরিবহন ব্যবস্থার চাপ কমানোর জন্য, যা অর্থনৈতিক উন্নয়নের একটি প্রধান চালিকাশক্তি। যদিও এটি দুই দেশের মধ্যে সুসম্পর্ক বৃদ্ধি করে, তবে এর প্রধান প্রায়োগিক উদ্দেশ্য হলো পরিবহন ব্যবস্থার উন্নয়ন।
ক) ৬ কিমি
খ) ৫.৫ কিমি
গ) ৪.৮ কিমি
ঘ) ৩ কিমি
Note : যমুনা সেতুর (দ্বিতীয় পদ্মা সেতু) দৈর্ঘ্য ৪.৮ কিলোমিটার। এটি বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো।
ক) ৬০০০ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড
খ) ৮০০০ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড
গ) ১০০০০ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড
ঘ) ১২০০০ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড
Note : জ্যোতির্বিদ্যা এবং পদার্থবিদ্যা অনুযায়ী, সূর্যের পৃষ্ঠের (ফটোস্ফিয়ার) গড় তাপমাত্রা প্রায় ৫,৫০০ থেকে ৬,০০০ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা প্রায় ৬,০০০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সূর্যের অভ্যন্তরভাগ আরও অনেক বেশি উত্তপ্ত, কিন্তু পৃষ্ঠের তাপমাত্রা এই সীমার মধ্যেই থাকে। প্রদত্ত বিকল্পগুলোর মধ্যে, ৬০০০ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড হলো সূর্যের পৃষ্ঠের তাপমাত্রার সবচেয়ে সঠিক অনুমান।
ক) Pelvic infection
খ) মাসিক বন্ধ থাকা
গ) ডিসমেনোরিয়া
ঘ) যোনিপথে স্রাব
Note : গর্ভাবস্থার সবচেয়ে স্পষ্ট এবং প্রাথমিক লক্ষণগুলোর মধ্যে একটি হলো মাসিকের অনিয়মিত হওয়া বা মাসিক বন্ধ থাকা (Amenorrhea)। Pelvic infection এবং যোনিপথে স্রাব কিছু রোগের লক্ষণ হতে পারে, তবে এগুলো গর্ভাবস্থার সরাসরি লক্ষণ নয়। ডিসমেনোরিয়া হলো বেদনাদায়ক মাসিক, যা গর্ভাবস্থায় সাধারণত হয় না। তাই, মাসিক বন্ধ থাকা গর্ভাবস্থার প্রধান লক্ষণ।

জব সলুশন

বাংলাদেশ সরকারী কর্ম কমিশন- পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়- সহকারী পরিচালক (প্রশাসন) ১৪-০৭-২০২৬

সমন্বিত ব্যাংক — অফিসার (ক্যাশ) 03-07-2026

যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর — অফিস সহায়ক ২৭-০৬-২০২৬

ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড — সেকশন ইঞ্জিনিয়ার 19-06-2026

বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্পোরেশন — কারিগরি কর্মকর্তা 19-06-2026

বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্পোরেশন — প্রমোশন অফিসার 19-06-2026

Job Solution Live Exam Recent Job Solution 2026

আমাদের মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন

যেকোনো সময়, যেকোনো জায়গা থেকে শিখুন