চর্যাপদের পদগুলো মূলত-

ক) শ্লোক
খ) কবিতা
গ) গান
ঘ) ধাঁধা
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
চর্যাপদ হলো বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন। এর পদগুলো মূলত বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকদের সাধন-সংগীত। এগুলো নির্দিষ্ট রাগ-রাগিণীতে গাওয়া হতো, তাই এগুলো মূলত গান।

Related Questions

ক) জলধি
খ) নদী
গ) সলিল
ঘ) আকাশ
Note : 'তটিনী' শব্দের অর্থ নদী। এর অন্যান্য সমার্থক শব্দ হলো স্রোতস্বিনী, প্রবাহিণী, শৈবলিনী ইত্যাদি। 'জলধি' অর্থ সমুদ্র এবং 'সলিল' অর্থ পানি।
ক) গাড়ি
খ) মানুষ
গ) পাখি
ঘ) শিক্ষক
Note : ব্যাকরণে যে শব্দ দিয়ে স্ত্রী বা পুরুষ কোনোটিই বোঝায় না, বরং কোনো জড় পদার্থকে বোঝায়, তাকে ক্লীব লিঙ্গ বলে। এখানে 'গাড়ি' একটি জড় বস্তু, তাই এটি ক্লীব লিঙ্গ।
ক) নিচয়
খ) আবলি
গ) রা
ঘ) যূথ
Note : প্রাণীবাচক শব্দের বহুবচনে বিশেষ কিছু শব্দ ব্যবহৃত হয়। 'হস্তি' বা হাতির পাল বোঝাতে 'যূথ' শব্দটি ব্যবহৃত হয়। যেমন: হস্তিযূথ। 'নিচয়' (পদ্মনিচয়), 'আবলি' (গ্রন্থাঙালি) অপ্রাণীবাচক শব্দে বসে।
ক) আঁকাড়া
খ) অবেলা
গ) অপমান
ঘ) অতিশয়
Note : 'আঁ' একটি খাঁটি বাংলা উপসর্গ, যার অর্থ বাজে বা নিকৃষ্ট। 'আঁকাড়া' অর্থ বাজেভাবে আঁকা বা অমসৃণ। 'অ', 'অপ', 'অতি' হলো তৎসম (সংস্কৃত) উপসর্গ।
ক) ধনুষ+টঙ্কার
খ) ধনু:+টঙ্কার
গ) ধনু+টঙ্কার
ঘ) ধনুট+ঙ্কার
Note : বিসর্গের পর 'ট' বা 'ঠ' থাকলে বিসর্গ-স্থানে 'ষ' হয়। এখানে ধনুঃ + টঙ্কার = ধনুষ্টংকার। এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ সন্ধির নিয়ম।
ক) ষোড়শ
খ) ভূষণ
গ) স্পষ্ট
ঘ) বিশেষণ
Note : ষ-ত্ব বিধান অনুযায়ী, ঋ-কার এবং 'র' বর্ণের পরে মূর্ধন্য-ষ (ষ) হয়। 'ষোড়শ' শব্দটি এই নিয়মের একটি আদর্শ উদাহরণ। অন্যগুলো (যেমন: ভূষণ) স্বভাবতই 'ষ' ব্যবহার করে বা অন্য নিয়মে গঠিত।

জব সলুশন

বাংলাদেশ রেলওয়ে — সহকারী স্টেশন মাস্টার 2026-05-16

বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিস কমিশন-বেঞ্চ সহকারী 2026-05-16

বাংলাদেশ সরকারী কর্ম কমিশন — শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় — শ্রম পরিদর্শক (সেফটি) 2026-05-11

বাংলাদেশ ডাক বিভাগ- মেট্রোপলিটন সার্কেল- পোস্টাল অপারেটর/মেইল অপারেটর 2026-05-02

ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর — রেকর্ড কিপার 2026-05-02

বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন- উপ-সহকারী প্রকৌশলী ২৪-০৪-২০২৬

Job Solution Live Exam Recent Job Solution 2026

আমাদের মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন

যেকোনো সময়, যেকোনো জায়গা থেকে শিখুন