'ডালে ডালে কুসুম ভার'- এখানে 'ভার' কোন অর্থ প্রকাশ করেছে?

ক) বোঝা
খ) সমূহ
গ) গুরুত্ব
ঘ) ওজন
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
এই বাক্যে 'ভার' শব্দটি তার আক্ষরিক অর্থ 'বোঝা' বা 'ওজন' প্রকাশ করছে না। এখানে 'কুসুম ভার' বলতে 'কুসুমের সমষ্টি' বা 'প্রচুর পরিমাণ ফুল' বোঝানো হয়েছে। অর্থাৎ, 'ভার' শব্দটি এখানে 'সমূহ' বা 'সমষ্টি' (group/collection) অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।

Related Questions

ক) ৬ষ্ঠ শতাব্দীতে
খ) ৭ম শতাব্দীতে
গ) ৮ম শতাব্দীতে
ঘ) ৯ম শতাব্দীতে
Note : ভাষা গবেষকদের মধ্যে বাংলা ভাষার উৎপত্তিকাল নিয়ে ভিন্ন ভিন্ন মত প্রচলিত আছে। ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের মতে এর উদ্ভবকাল দশম শতাব্দী। তবে, ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে, বাংলা ভাষার উদ্ভব সপ্তম শতাব্দীতে (আনুমানিক ৬৫০ খ্রিস্টাব্দে) গৌড়ী প্রাকৃত বা মাগধী প্রাকৃতের অপভ্রংশ থেকে হয়েছে। তার মতটিই এখানে জানতে চাওয়া হয়েছে।
ক) প্রকৃতি
খ) ধাতুমূল
গ) বিভক্তি
ঘ) নামপদ
Note : ব্যাকরণে, যে শব্দকে বা কোনো শব্দের যে অংশকে আর কোনো ক্ষুদ্রতর অংশে ভাগ করা যায় না, তাকে প্রকৃতি বলে। প্রকৃতি দুই প্রকার: নাম প্রকৃতি (শব্দের মূল) এবং ক্রিয়া প্রকৃতি বা ধাতু (ক্রিয়ার মূল)। সুতরাং, শব্দ ও ধাতুর মূল অংশকে একত্রে 'প্রকৃতি' বলা হয়।
ক) ১৯টি
খ) ২০টি
গ) ২১টি
ঘ) ২২টি
Note : বাংলা ভাষায় তিন প্রকার উপসর্গ ব্যবহৃত হয়: বাংলা, সংস্কৃত এবং বিদেশি। খাঁটি বাংলা উপসর্গের সংখ্যা মোট ২১টি। এগুলো হলো: অ, অঘা, অজ, অনা, আ, আড়, আন, আব, ইতি, ঊন (উন), কদ, কু, নি, পাতি, বি, ভর, রাম, স, সা, সু, হা।
ক) অন্বেষণ
খ) অন+এষণ
গ) অম্ব+এষণ
ঘ) অনু+এষণ
Note : 'অন্বেষণ' শব্দটি স্বরসন্ধির নিয়মে গঠিত। এর সন্ধি বিচ্ছেদ হলো 'অনু + এষণ'। নিয়মটি হলো: উ-কার বা ঊ-কারের পর উ/ঊ ভিন্ন অন্য স্বরধ্বনি থাকলে উ/ঊ স্থানে 'ব'-ফলা (ব) হয় এবং সেই 'ব' পরবর্তী স্বরধ্বনির সাথে যুক্ত হয়। এখানে উ + এ = ব + এ = বে। তাই অনু + এষণ = অন্বেষণ।
ক) খাসমহল
খ) মৌলভী সাহেব
গ) রাজর্ষি
ঘ) আকণ্ঠ
Note : সঠিক উত্তর ক,খ,গ । কর্মধারয় সমাসে বিশেষণ বা বিশেষণভাবাপন্ন পদের সাথে বিশেষ্য বা বিশেষ্যভাবাপন্ন পদের সমাস হয়। 'খাস যে মহল = খাসমহল', 'যিনি মৌলভী তিনিই সাহেব = মৌলভী সাহেব', এবং 'যিনি রাজা তিনিই ঋষি = রাজর্ষি'—এই তিনটিই কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ। 'আকণ্ঠ' (কণ্ঠ পর্যন্ত) অব্যয়ীভাব সমাস ।
ক) ৩য়া তৎপুরুষ
খ) ৪র্থী তৎপুরুষ
গ) ৫র্মী তৎপুরুষ
ঘ) ৭মী তৎপুরুষ
Note : 'হজ্বযাত্রা' পদটির ব্যাসবাক্য হলো 'হজ্বের নিমিত্ত যাত্রা'। এখানে 'নিমিত্ত' বা 'জন্য' অর্থ প্রকাশ পাওয়ায় এটি চতুর্থী তৎপুরুষ সমাস। যে তৎপুরুষ সমাসে পূর্বপদের চতুর্থী বিভক্তি (কে, রে, জন্য, নিমিত্ত) লোপ পেয়ে পরপদের সঙ্গে যুক্ত হয়, তাকে চতুর্থী তৎপুরুষ সমাস বলে।

জব সলুশন

সমন্বিত ব্যাংক — অফিসার (ক্যাশ) 03-07-2026

যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর — অফিস সহায়ক ২৭-০৬-২০২৬

ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড — সেকশন ইঞ্জিনিয়ার 19-06-2026

বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্পোরেশন — কারিগরি কর্মকর্তা 19-06-2026

বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্পোরেশন — প্রমোশন অফিসার 19-06-2026

পরিবেশ অধিদপ্তর — নমুনা সংগ্রহকারী 19-06-2026

Job Solution Live Exam Recent Job Solution 2026

আমাদের মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন

যেকোনো সময়, যেকোনো জায়গা থেকে শিখুন