কোন আমলে ব্রাহ্মী লিপিতে কিছু কিছু পরিবর্তন দেখা যায়?

ক) পাল আমল
খ) গুপ্ত আমল
গ) সেন আমল
ঘ) মুঘল আমল
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
ব্রাহ্মী লিপি হলো প্রাচীন ভারতীয় উপমহাদেশের একটি লিখন পদ্ধতি যা থেকে পরবর্তীকালের অনেক লিপির উদ্ভব হয়েছে। গুপ্ত আমলে (খ্রিস্টীয় ৪র্থ থেকে ৬ষ্ঠ শতক) ব্রাহ্মী লিপি একটি নির্দিষ্ট রূপ লাভ করে, যা 'গুপ্ত লিপি' নামে পরিচিত। এই গুপ্ত লিপিই হলো পূর্ববর্তী ব্রাহ্মী লিপির একটি পরিবর্তিত ও বিকশিত রূপ, যা থেকে পরবর্তীতে সিদ্ধমাতৃকা এবং বাংলা লিপির উদ্ভব হয়।

Related Questions

ক) নীরিহ
খ) নিরিহ
গ) নিরীহ
ঘ) নীরীহ
Note : বাংলা বানানের নিয়ম অনুযায়ী, এই শব্দটি 'ন' অক্ষরে ই-কার (ি) এবং 'র' অক্ষরে ঈ-কার (ী) দিয়ে গঠিত। সঠিক বানানটি হলো 'নিরীহ' (নিঃ + ঈহ), যার অর্থ অহিংস, নিরীহ বা শান্ত প্রকৃতির।
ক) বস্তিবাসী
খ) উদ্বাস্তু
গ) ঠিকানাবিহীন
ঘ) টোকাই
Note : 'উদ্বাস্তু' শব্দটি সেই ব্যক্তিকে বোঝায় যিনি যুদ্ধ, নিপীড়ন বা প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে নিজের দেশ বা স্থায়ী বাসস্থান ছেড়ে অন্যত্র আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছেন এবং যার কোনো নির্দিষ্ট স্থানীয় ঠিকানা নেই। 'ঠিকানাবিহীন' সাধারণ অর্থ প্রকাশ করলেও 'উদ্বাস্তু' একটি সুনির্দিষ্ট পারিভাষিক শব্দ।
ক) সরল
খ) যৌগিক
গ) জটিল
ঘ) বিযুক্ত
Note : বাক্যটির গঠন বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, এখানে একটি মাত্র কর্তা ('বিদ্বান লোক') এবং একটি মাত্র সমাপিকা ক্রিয়া ('হন' বা 'হন শ্রদ্ধার পাত্র', যা এখানে উহ্য) রয়েছে। যেহেতু বাক্যে কোনো সংযোজক অব্যয় (এবং, ও) বা সাপেক্ষ সর্বনাম (যে-সে) নেই, তাই এটি একটি সরল বাক্য।
ক) লাজুক
খ) ভীরু
গ) সংযত
ঘ) নিশ্চুপ
Note : মুখচোরা' বাগধারাটি দ্বারা এমন ব্যক্তিকে বোঝানো হয় যিনি লজ্জার কারণে বা স্বভাবগত জড়তার জন্য সহজে কথা বলতে পারেন না বা নিজের মতামত প্রকাশ করতে পারেন না। এই অর্থে 'লাজুক' শব্দটিই সবচেয়ে सटीक। যদিও লাজুক ব্যক্তি ভীরু বা নিশ্চুপ হতে পারে, কিন্তু বাগধারাটির মূল অর্থ 'লজ্জাশীলতা'।
ক) কাজী দৌলত
খ) সৈয়দ সুলতান
গ) শাহ মুহাম্মদ সগীর
ঘ) আব্দুল হাকিম
Note : মধ্যযুগের কবি আব্দুল হাকিম তার 'নূরনামা' কাব্যের 'বঙ্গবাণী' অংশে মাতৃভাষা ও native পরিচয়ের প্রতি গভীর অনুরাগ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেছেন, 'যে সবে বঙ্গেত জন্মি হিংসে বঙ্গবাণী। সে সব কাহার জন্ম নির্ণয় ন জানি।।' এই উক্তিতে তার বাঙালি পরিচয় নিয়ে গর্ব ফুটে ওঠে।
ক) দধি
খ) মুড়ি
গ) কলম
ঘ) আম
Note : 'তৎসম' শব্দ হলো সেসব সংস্কৃত শব্দ যা কোনো পরিবর্তন ছাড়াই সরাসরি বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত হয়। 'দধি' (অর্থ: দই) একটি তৎসম শব্দ। অন্যদিকে 'মুড়ি' দেশি, 'কলম' আরবি এবং 'আম' (আম্র থেকে) অর্ধ-তৎসম বা তদ্ভব শব্দ।

জব সলুশন

সমন্বিত ব্যাংক — অফিসার (ক্যাশ) 03-07-2026

যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর — অফিস সহায়ক ২৭-০৬-২০২৬

ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড — সেকশন ইঞ্জিনিয়ার 19-06-2026

বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্পোরেশন — কারিগরি কর্মকর্তা 19-06-2026

বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্পোরেশন — প্রমোশন অফিসার 19-06-2026

পরিবেশ অধিদপ্তর — নমুনা সংগ্রহকারী 19-06-2026

Job Solution Live Exam Recent Job Solution 2026

আমাদের মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন

যেকোনো সময়, যেকোনো জায়গা থেকে শিখুন