'জেনেভা কনভেশনস' হলো কতগুলো-

ক) মানবাধিকার চুক্তি
খ) সামরিক চুক্তি
গ) যুদ্ধচুক্তি
ঘ) অর্থনৈতিক চুক্তি
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
জেনেভা কনভেনশনগুলোকে মূলত মানবাধিকার চুক্তি হিসেবে গণ্য করা হয়, কারণ এগুলোর মূল উদ্দেশ্য হলো সশস্ত্র সংঘাতের সময় মানুষের জীবন, মর্যাদা এবং অধিকার রক্ষা করা। এগুলো আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের ভিত্তি।

Related Questions

ক) বাণিজ্য সম্মেলন
খ) বিচার বিভাগীয় সম্মেলন
গ) যুদ্ধ বিরতীকরণ সম্মেলন
ঘ) যুদ্ধবন্দীদের প্রতি আচরণ বিধি
Note : জেনেভা কনভেনশনসমূহ হলো আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এই চুক্তিগুলো যুদ্ধকালীন সময়ে যুদ্ধবন্দী, আহত সৈনিক এবং বেসামরিক জনগণের সাথে মানবিক আচরণ নিশ্চিত করার জন্য বিভিন্ন নিয়ম ও বিধি নির্ধারণ করে।
ক) বার্লিনে
খ) ন্যুরেমবার্গে
গ) হাইডেলবার্গে
ঘ) বনে
Note : দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর জার্মানির বাভারিয়া রাজ্যের ন্যুরেমবার্গ (Nuremberg) শহরে একটি আন্তর্জাতিক সামরিক ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়। ১৯৪৫ থেকে ১৯৪৬ সাল পর্যন্ত এই ট্রাইব্যুনালে শীর্ষস্থানীয় নাৎসি নেতাদের যুদ্ধাপরাধ ও মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধের জন্য বিচার করা হয়েছিল, যা 'ন্যুরেমবার্গ ট্রায়াল' নামে পরিচিত।
ক) Three
খ) Four
গ) Five
ঘ) Six
Note : ঐতিহাসিকদের মতে, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালীন নাৎসিদের হলোকাস্টে প্রায় ৬০ লক্ষ (six million) ইহুদিকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছিল, যা ছিল তৎকালীন ইউরোপীয় ইহুদি জনসংখ্যার প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ।
ক) কৃষ্ণাঙ্গ-শ্বেতাঙ্গ সংঘাত
খ) হুতো-তুতসিদের লড়াই
গ) দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকালীন ইহুদি নিধন
ঘ) গুয়ানতানামোয় বন্দিদের উপর নির্যাতন
Note : 'হলোকাস্ট' হলো দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় নাৎসি জার্মানি ও তার সহযোগীদের দ্বারা প্রায় ৬০ লক্ষ ইহুদিকে পরিকল্পিতভাবে গণহত্যা করার ঘটনা। এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডকে ইতিহাসে হলোকাস্ট নামে চিহ্নিত করা হয়।
ক) জার্মানি
খ) সুইজারল্যান্ড
গ) অস্ট্রিয়া
ঘ) চেকোস্লোভাকিয়া
Note : অ্যাডলফ হিটলার ১৮৮৯ সালের ২০ এপ্রিল অস্ট্রিয়া-হাঙ্গেরি সাম্রাজ্যের ব্রাউনাউ অ্যাম ইন (Braunau am Inn) নামক একটি শহরে জন্মগ্রহণ করেন, যা বর্তমানে অস্ট্রিয়ার অন্তর্ভুক্ত। তিনি জাতিতে জার্মান হলেও জন্মসূত্রে অস্ট্রিয়ান ছিলেন।
ক) পূর্ব জার্মানি ও পোল্যান্ডের মধ্যে সীমা নির্ধারক
খ) পশ্চিম জার্মানি ও চেকোশ্লোভাকিয়ার মধ্যে সীমা নির্ধারক
গ) পশ্চিম জার্মানি ও পোল্যান্ডের মধ্যে সীমা নির্ধারক
ঘ) সংযুক্ত জার্মান ও ফ্রান্সের মধ্যে সীমা নির্ধারক
Note : দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর পটসডম সম্মেলনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ওডার (Oder) এবং নীচ (Neisse) নদী দুটিকে জার্মানি এবং পোল্যান্ডের মধ্যকার নতুন সীমানা হিসেবে নির্ধারণ করা হয়। এটি 'ওডার-নীচ লাইন' নামে পরিচিত।

জব সলুশন

সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর-আরবরিকালচার সেকশনাল অফিসার 05-11-2026

১৯ তম বিজেএস-সহকারী জজ 31-10-2026

মুদ্রণ ও প্রকাশনা অধিদপ্তর-অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক 30-10-2026

মুদ্রণ ও প্রকাশনা অধিদপ্তর- অফিস সহায়ক 30-10-2026

বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন-সহকারী প্রোগ্রামার /সহকারী রক্ষণাবেক্ষণ প্রকৌশলী 29-10-2026

প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়- সহকারী সাইফার কর্মকর্তা ২৮-১০-২০২৬

Job Solution Live Exam Recent Job Solution 2026

আমাদের মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন

যেকোনো সময়, যেকোনো জায়গা থেকে শিখুন