দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ফরাসি মুক্তি আন্দোলনের নেতৃত্ব দেন কে?
ক) চার্লস ডি গ্যালে
খ) নেলসন ম্যান্ডেলা
গ) জুমো কেনিয়াটা
ঘ) কিনেথ কাউন্ডা
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জার্মানি ফ্রান্স দখল করে নিলে জেনারেল চার্লস ডি গ্যালে লন্ডনে নির্বাসিত সরকার (Free French Forces) গঠন করেন এবং সেখান থেকে ফরাসি প্রতিরোধ আন্দোলন ও স্বাধীনতা যুদ্ধের নেতৃত্ব দেন।
Related Questions
ক) ডুরান্ড লাইন
খ) ম্যাজিনো লাইন
গ) হিন্ডারবার্গ লাইন
ঘ) ম্যাকমোহন লাইন
Note : 'ম্যাজিনো লাইন' (Maginot Line) ছিল প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর ফ্রান্স কর্তৃক জার্মান সীমান্তে নির্মিত একটি অত্যন্ত শক্তিশালী এবং দীর্ঘ কংক্রিটের দুর্গ, বাংকার ও সামরিক স্থাপনার সারি। এর উদ্দেশ্য ছিল ভবিষ্যৎ জার্মান আক্রমণ প্রতিহত করা।
ক) 1942
খ) 1941
গ) 1943
ঘ) 1940
Note : ১৯৪০ সালের সেপ্টেম্বরে মুসোলিনির ইতালি লিবিয়া থেকে ব্রিটিশ নিয়ন্ত্রিত মিশরে আক্রমণ শুরু করে, যা উত্তর আফ্রিকা অভিযানের সূচনা করে। পরবর্তীতে জার্মান বাহিনী (আফ্রিকা কর্পস) ইতালিকে সাহায্য করার জন্য যোগ দেয়।
ক) আনোয়ার সাদাত
খ) ফিল্ড মার্শাল রোমেল
গ) মার্শাল টিটো
ঘ) কামাল আতাতুর্ক
ক) আব্রাহাম লিংকন
খ) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
গ) উইনস্টন চার্চিল
ঘ) মাও সেতুং
Note : এটি ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী উইনস্টন চার্চিলের একটি বিখ্যাত বক্তৃতার অংশ। ১৯৪০ সালে ডানকার্ক থেকে সৈন্য প্রত্যাহারের পর হাউস অফ কমন্সে দেওয়া এই ভাষণে তিনি জার্মান আগ্রাসনের বিরুদ্ধে ব্রিটিশদের প্রতিরোধের দৃঢ় সংকল্প ব্যক্ত করেন।
ক) চেম্বারলেন
খ) রুজভেল্ট
গ) চার্চিল
ঘ) স্ট্যালিন
ক) এটলি
খ) চার্চিল
গ) গ্লাডস্টোন
ঘ) চেম্বারলেন
Note : ১৯৩৯ সালের সেপ্টেম্বরে যখন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়, তখন নেভিল চেম্বারলেন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। তিনি জার্মানির প্রতি তোষণ নীতির (policy of appeasement) জন্য সমালোচিত হন।
জব সলুশন